আজ পর্দা উঠছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের’

দীর্ঘ চার বছরের অপেক্ষার অবসান। ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসব, ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক পর্দা উঠছে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবারই তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো- যৌথভাবে আয়োজন করছে এই মহাযজ্ঞ। মেক্সিকো সিটি, টরোন্টো ও লস অ্যাঞ্জেলসে বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ অভিযান। কাউন্টডাউনের সময় ফুরিয়ে এসেছে। ফিফা বিশ্বকাপের জন্য অপেক্ষা এখন আর মাত্র এক দিনের। ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরকে ঘিরে উন্মাদনা পৌঁছেছে চূড়ান্ত পর্যায়ে। প্রস্তুত ৪৮ দেশ, যাদের প্রতিনিধিত্ব করতে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন এক হাজার ২৪৮ ফুটবলার। ডাগআউটে কোচিং স্টাফরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের পরিকল্পনায়, আর বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীরা মেতে উঠেছেন ফিক্সচার, পরিসংখ্যান ও সম্ভাবনার হিসাব-নিকাশে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে তিন আয়োজক দেশে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো প্রথমবারের মতো যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে তিন দেশেই আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছে ফিফা। উদ্বোধনী আয়োজনের

আজ পর্দা উঠছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের’

দীর্ঘ চার বছরের অপেক্ষার অবসান। ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসব, ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক পর্দা উঠছে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবারই তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো- যৌথভাবে আয়োজন করছে এই মহাযজ্ঞ। মেক্সিকো সিটি, টরোন্টো ও লস অ্যাঞ্জেলসে বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ অভিযান।

কাউন্টডাউনের সময় ফুরিয়ে এসেছে। ফিফা বিশ্বকাপের জন্য অপেক্ষা এখন আর মাত্র এক দিনের। ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরকে ঘিরে উন্মাদনা পৌঁছেছে চূড়ান্ত পর্যায়ে। প্রস্তুত ৪৮ দেশ, যাদের প্রতিনিধিত্ব করতে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন এক হাজার ২৪৮ ফুটবলার। ডাগআউটে কোচিং স্টাফরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের পরিকল্পনায়, আর বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীরা মেতে উঠেছেন ফিক্সচার, পরিসংখ্যান ও সম্ভাবনার হিসাব-নিকাশে।

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে তিন আয়োজক দেশে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো প্রথমবারের মতো যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে তিন দেশেই আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছে ফিফা।

উদ্বোধনী আয়োজনের সূচনা হবে মেক্সিকোতে। দেশটির বর্ণিল সংস্কৃতি ও আধুনিক লোকশিল্পের পাশাপাশি থাকবে বিশেষ ঐতিহ্যবাহী আয়োজন ‘পাপেল পিকাডো’। এছাড়া দর্শকদের জন্য থাকছে কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরার বিশেষ পরিবেশনা। এরই মধ্যে মহড়ায় অংশ নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তিনি।

কানাডার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন দেশটির জনপ্রিয় শিল্পী মাইকেল বাবল, অ্যালনিস মরিসেটে ও নোরা ফাতেহির মতো তারকারা। থাকবে নানা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সমাহার। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বিশাল ভিজ্যুয়াল শোর পাশাপাশি মঞ্চ মাতাবেন কেটি পেরি, ফিউচার ও আনিতা। ফিফার থিমকে কেন্দ্র করে বিশ্বকাপের আবহ তুলে ধরা হবে বিশেষ আয়োজনে।

যদিও উৎসবের আলোর নিচে রয়েছে কিছু বিতর্কও। মেক্সিকোতে চলছে ফিফাবিরোধী আন্দোলন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিশ্বকাপ আয়োজনের আড়ালে সরকারের বিভিন্ন অন্যায় কর্মকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। 

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের খেলোয়াড়দের প্রবেশসংক্রান্ত আইনগত জটিলতা, এক সোমালিয়ান রেফারিকে ফেরত পাঠানো এবং খেলোয়াড়দের প্রবেশে অতিরিক্ত কড়াকড়ি নিয়েও সমালোচনা তৈরি হয়েছে, যা উদ্বোধনী দিনের আনন্দে কিছুটা ছায়া ফেলেছে।

সব বিতর্ক ও আলোচনা ছাপিয়ে তিন ভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে শুরু হতে যাচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। ৩৯ দিনব্যাপী ১০৪ ম্যাচের মহাযজ্ঞ শেষে ফুটবল বিশ্ব পাবে নতুন এক রাজা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow