বিশ্বকাপে সঙ্গী ৩০০ কেজি কাঁচা মাছ, কেন এই ‘আজব’ সিদ্ধান্ত?

সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে খেলেছিল নরওয়ে। এরপর কেটে গেছে ২৮ বছর। মাঝের ছয়টি বিশ্বকাপের একটাতেও যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা। সেই খরা কাটিয়ে এবারের বিশ্বকাপে নামতে যাচ্ছে হালান্ডের দল। ইতোমধ্যেই আমেরিকায় পৌঁছে গেছে নরওয়ে ফুটবল দল। কিন্তু মাঠে নামার আগেই আলোচনার তুঙ্গে এসেছে নরওয়ে ফুটবল টিম। বিশ্বকাপ খেলার জন্য সঙ্গে করে ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছে হালান্ডরা। যেখানে রয়েছে ১১৬ কেজি ব্রাউন চিজও। কেন এই আজব পথে হাঁটল নরওয়ে? বিশ্বকাপে যাতে ফুটবলাররা নিজেদের সেরা পারফর্ম্যান্স মেলে ধরতে পারেন তার জন্য খাবারকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে নরওয়ে শিবির। তাই দলের সঙ্গে গেছেন দুই খ্যাতনামা শেফ অ্যারন এসপেল্যান্ড ও এইরিক তুফতে। ২০২০ সালে অলিম্পিকে সফল নরওয়ে দলের সঙ্গেও গিয়েছিলেন অ্যারন। দীর্ঘদিনের টিম শেফের সঙ্গে মিলে তারা হালান্ড-ওডেগার্ডদের জন্য বিশেষ খাদ্যতালিকা তৈরি করবেন। কেন ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছেন হালান্ডরা? তাদের বিশ্বাস, সেরা খাবারের জন্য প্রয়োজন সেরা নরউইজিয়ান উপকরণ। তাই আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে নরওয়ের নিজস্ব মাছ ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী। তাই অন্তত ৩০০ কেজি লাল মাছ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু

বিশ্বকাপে সঙ্গী ৩০০ কেজি কাঁচা মাছ, কেন এই ‘আজব’ সিদ্ধান্ত?
সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে খেলেছিল নরওয়ে। এরপর কেটে গেছে ২৮ বছর। মাঝের ছয়টি বিশ্বকাপের একটাতেও যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা। সেই খরা কাটিয়ে এবারের বিশ্বকাপে নামতে যাচ্ছে হালান্ডের দল। ইতোমধ্যেই আমেরিকায় পৌঁছে গেছে নরওয়ে ফুটবল দল। কিন্তু মাঠে নামার আগেই আলোচনার তুঙ্গে এসেছে নরওয়ে ফুটবল টিম। বিশ্বকাপ খেলার জন্য সঙ্গে করে ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছে হালান্ডরা। যেখানে রয়েছে ১১৬ কেজি ব্রাউন চিজও। কেন এই আজব পথে হাঁটল নরওয়ে? বিশ্বকাপে যাতে ফুটবলাররা নিজেদের সেরা পারফর্ম্যান্স মেলে ধরতে পারেন তার জন্য খাবারকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে নরওয়ে শিবির। তাই দলের সঙ্গে গেছেন দুই খ্যাতনামা শেফ অ্যারন এসপেল্যান্ড ও এইরিক তুফতে। ২০২০ সালে অলিম্পিকে সফল নরওয়ে দলের সঙ্গেও গিয়েছিলেন অ্যারন। দীর্ঘদিনের টিম শেফের সঙ্গে মিলে তারা হালান্ড-ওডেগার্ডদের জন্য বিশেষ খাদ্যতালিকা তৈরি করবেন। কেন ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছেন হালান্ডরা? তাদের বিশ্বাস, সেরা খাবারের জন্য প্রয়োজন সেরা নরউইজিয়ান উপকরণ। তাই আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে নরওয়ের নিজস্ব মাছ ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী। তাই অন্তত ৩০০ কেজি লাল মাছ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু মাছই নয়, ১১৬ কেজি বিখ্যাত নরউইজিয়ান ব্রাউন চিজও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অ্যারন এসপেল্যান্ড। তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় দাঁড়িয়ে যদি বলতে পারা যায় ব্যবহৃত টম্যাটোটা কে চাষ করেছেন বা এই হ্যালিবাট মাছ কে ধরেছেন, সেটা দারুণ ব্যাপার। আমরা সব সময় সেরা নরউইজিয়ান উপকরণই ব্যবহার করতে চাই। বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেই খাবার পরিবেশন করতে পারাটা আমাদের কাছে গর্বের।’ তিনি আরও জানান, নরওয়ে থেকে আমেরিকায় আধা টন মাছ পাঠানো মোটেই সহজ নয়। তাই একেবারে এই ব্যবস্থা করেছেন তারা। বিশ্বকাপে নরওয়ের সূচি ১৬ জুন ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে নরওয়ে। তার আগে ৭ জুন মরক্কোর বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা। I গ্রুপে ইরাক ছাড়াও নরওয়ের সঙ্গে আছে ফ্রান্স ও সেনেগাল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow