আজহারীর ‘ডিপফেক’ ভিডিও বানিয়ে প্রতারণা, ২ আসামি রিমান্ডে
ইসলামী বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ নকল করে ‘ডিপফেক’ ভিডিও বানিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও আটজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদ এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- মো. সারাফাত হোসেন (২৪) ও মো. শাফায়েত হোসেন শুভ (২১)। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক সামিম হোসেন ১০ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অপরদিকে আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোসলেহ উদ্দিন জসীমসহ একাধিক আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত দুই আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং বাকিদের রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- শাহাদাত তৌফিক (২১), মো. ইমাম হোসেন বিজয় (২১), মো. রফিকুল হাসান (২১), মিনহাজুর রহমান শাহেদ (১৯), তৌকি তাজওয়ার ইলহাম (২১), অমিদ হাসান (২১), মো. আব্দুল্লাহ ফাহিম (২১) এবং মো. ইমরান (২৪)। তারা বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা হলেও চট্টগ্রামের বায়েজিদ ব
ইসলামী বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ নকল করে ‘ডিপফেক’ ভিডিও বানিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও আটজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদ এ আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- মো. সারাফাত হোসেন (২৪) ও মো. শাফায়েত হোসেন শুভ (২১)।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক সামিম হোসেন ১০ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অপরদিকে আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোসলেহ উদ্দিন জসীমসহ একাধিক আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত দুই আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং বাকিদের রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- শাহাদাত তৌফিক (২১), মো. ইমাম হোসেন বিজয় (২১), মো. রফিকুল হাসান (২১), মিনহাজুর রহমান শাহেদ (১৯), তৌকি তাজওয়ার ইলহাম (২১), অমিদ হাসান (২১), মো. আব্দুল্লাহ ফাহিম (২১) এবং মো. ইমরান (২৪)। তারা বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা হলেও চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার একটি ভাড়া বাসা থেকে চক্রটি পরিচালনা করতেন।
এর আগে, গত ২৩ এপ্রিল বিলাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) যৌথভাবে চট্টগ্রামের শেরশাহ কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে। ২৫ এপ্রিল তাদের আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে ডিজিটাল প্রতারণা চালিয়ে আসছিল। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ড. আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ সংগ্রহ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবিকল নকল ভিডিও তৈরি করত। এসব ভিডিওতে তার কণ্ঠ ব্যবহার করে ‘ইউরোসিন’ নামের একটি যৌন উত্তেজক পণ্যের প্রচারণা চালানো হতো।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, সাধারণ মানুষ আজহারীর বক্তব্যে বিশ্বাস করে পণ্য অর্ডার দিতেন। আসামিরা ‘আজহারী শপ’, ‘ডক্টর সেবা’, ‘হালাল শপ’সহ ২৪টির বেশি ভুয়া ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এসব ভিডিও প্রচার করত। পরে ‘পাঠাও’ ও ‘স্টেডফাস্ট’ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য পাঠিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয় তারা।
What's Your Reaction?