আট মাসের বকেয়া পরিশোধসহ ৪ দাবিতে বিএভিএস কর্মীদের মানববন্ধন

1 month ago 30

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর ভলান্টারি স্টেরিলাইজেশনের (বিএভিএস) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আট মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে। বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ ৪ দফা দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করেন তারা। এতে প্রতিষ্ঠানটির শতাধিক কমকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন।

বিএভিএস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি হলো- আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর বিএভিএসের সাময়িক বরখাস্তকৃত উপ-পরিচালক (অর্থ) মো. নজরুল ইসলামকে স্থায়ী বরখাস্ত করতে হবে। ফ্যাসিবাদের অন্যতম সহযোগী বিএভিএসের বর্তমান প্রশাসক মাজহারুল ইসলামকে (উপসচিব) প্রত্যাহার করে একজন যুগ্ম-সচিবকে প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করতে হবে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর থেকে সব ধরনের হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রত্যাহার করতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আট মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিএভিএস সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংস্থাটি ৩৪টি শাখার মাধ্যমে এবং বর্তমানে ১৮টি শাখার মাধ্যমে সারা দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবাসহ নানান স্বাস্থ্য পরিষেবা দিয়ে আসছে। স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ অবদান রাখায় বিএভিএস সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৮৯ সালে প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে।

তারা বলেন, কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বর্তমান প্রশাসক মাজহারুল ইসলামের স্বেচ্ছাচারিতা এবং দায়িত্বহীনতার কারণে সংস্থার পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। প্রশাসকের এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত ৪৫ দিন ধরে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন। বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ ও অন্যান্য ন্যায্য দাবি-দাওয়া পূরণের প্রতিশ্রুতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে প্রশাসককে বার বার অনুরোধ করার পরও তিনি কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেননি।

মানববন্ধনে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারির পর প্রশাসক বিএভিএস কার্যালয়ে না এসে অজ্ঞাত স্থান থেকে বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক প্রশাসনিক চিঠি পাঠাচ্ছেন। এতে দেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে এবং জীবন ও জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এসআরএস/কেএসআর

Read Entire Article