আদাবরে বিকাশের দোকানে ডাকাতি, প্রধান আসামি গ্রেফতার

রাজধানীর আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় বিকাশের দোকান মালিককে কুপিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মো. মামুনকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৭ জুন) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ১৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শেখেরটেকের মফিজবাগ এলাকার একটি বিকাশের দোকানে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের কয়েকজন সদস্য প্রবেশ করে। তারা দোকান মালিক মো. শফিকুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে আদাবর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে এর আগে এজাহারভুক্ত দুই আসামি ও সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগর পুলিশের গাছা থানার ফকির মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নম্বর আসামি মামুনকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মামুন একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের সদস্য। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে আদাবর,

আদাবরে বিকাশের দোকানে ডাকাতি, প্রধান আসামি গ্রেফতার

রাজধানীর আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় বিকাশের দোকান মালিককে কুপিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মো. মামুনকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ জুন) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ১৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শেখেরটেকের মফিজবাগ এলাকার একটি বিকাশের দোকানে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের কয়েকজন সদস্য প্রবেশ করে। তারা দোকান মালিক মো. শফিকুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে আদাবর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তে এর আগে এজাহারভুক্ত দুই আসামি ও সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগর পুলিশের গাছা থানার ফকির মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নম্বর আসামি মামুনকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মামুন একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের সদস্য। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে আদাবর, মোহাম্মদপুরসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি ও ছিনতাই কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে সাতটি মামলা এবং একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

টিটি/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow