আদালতে গিয়েও ‘প্রত্যাখ্যাত’ দাগনভূঞার সেই ওসি

ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকের সঙ্গে খাসকামরায় দেখা করতে না পেরে এজলাসে গিয়েও প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন দাগনভূঞা থানা থেকে প্রত্যাহারের আদেশপ্রাপ্ত ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান। বুধবার (১২ আগস্ট) ওই ট্রাইব্যুনালের এজলাসে ঘটনাটি ঘটে। আদালত সূত্র জানায়, বুধবার সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোরশেদ খানের এজলাসে হঠাৎ ঢুকে পড়েন ওসি নোমান। সেখানে পরপর তিনবার স্যালুট দিয়ে বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। বিচারক বিষয়টি খেয়াল করে আদালতের স্টেনোগ্রাফারের কাছে তার পরিচয় জানতে চান। পরিচয় পাওয়ার পর ওসিকে উদ্দেশ্য করে বিচারক বলেন, ‘আপনি এখানে কেন এসেছেন? আপনার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক নেই। এরই মধ্যে আপনাকে প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের অর্ডার অর্ডারই।’ এরপর কোনো উপায় না পেয়ে এজলাস ছেড়ে বেরিয়ে যান ওসি নোমান। এর আগে এজলাসে ওঠার আগেও ওসি বিচারকের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুমতি ছাড়া বিচারকের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব নয় বলে তাকে জানিয়ে দেন। আরও পড়ুন দাগনভূঞার ওসিকে অযোগ্য ঘোষণা করে প্রত্

আদালতে গিয়েও ‘প্রত্যাখ্যাত’ দাগনভূঞার সেই ওসি

ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকের সঙ্গে খাসকামরায় দেখা করতে না পেরে এজলাসে গিয়েও প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন দাগনভূঞা থানা থেকে প্রত্যাহারের আদেশপ্রাপ্ত ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান। বুধবার (১২ আগস্ট) ওই ট্রাইব্যুনালের এজলাসে ঘটনাটি ঘটে।

আদালত সূত্র জানায়, বুধবার সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোরশেদ খানের এজলাসে হঠাৎ ঢুকে পড়েন ওসি নোমান। সেখানে পরপর তিনবার স্যালুট দিয়ে বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। বিচারক বিষয়টি খেয়াল করে আদালতের স্টেনোগ্রাফারের কাছে তার পরিচয় জানতে চান। পরিচয় পাওয়ার পর ওসিকে উদ্দেশ্য করে বিচারক বলেন, ‘আপনি এখানে কেন এসেছেন? আপনার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক নেই। এরই মধ্যে আপনাকে প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের অর্ডার অর্ডারই।’ এরপর কোনো উপায় না পেয়ে এজলাস ছেড়ে বেরিয়ে যান ওসি নোমান।

এর আগে এজলাসে ওঠার আগেও ওসি বিচারকের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুমতি ছাড়া বিচারকের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব নয় বলে তাকে জানিয়ে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার জানান, ওসিকে প্রত্যাহার ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আদালতের আদেশের চিঠি তারা পেয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে এরইমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুলাই গৃহবধূকে নির্যাতন ও অন্য এক গৃহবধূকে যৌতুকের দাবিতে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখার ঘটনায় মামলা গ্রহণ না করার অভিযোগে দাগনভূঞা থানার ওসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আদালত। পৃথক দুটি গুরুতর অপরাধের এজাহার থানায় না নেওয়ায় ওসির দায়িত্ব পালনের যোগ্যতার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন ট্রাইব্যুনাল। ওইদিনই ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার এবং তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনীর পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন একই আদালত।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow