আদ্-দ্বীন হাসপাতালে বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে রুটির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। শনিবার (৩০ মে) বিকেলে হাসপাতালটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘বেকারি পাওয়া গেছে। দুই ইলেকট্রিক ওভেন দিয়ে চলে। ইঞ্জিনিয়ার নেই। এটা উচিত হয়নি। প্রচুর ময়লা পাওয়া গেছে।’ বিষয়টা শক্তভাবে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।আরো পড়ুন বেতন বৈষম্য কমাচ্ছে সরকার, অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন যারা স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য এই বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘দুজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তারাও বেশ কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন।’ এ ছাড়া তদন্ত কমিটির সদস্য তিন জন বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি জানান, আগামী ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়া হবে। এর আগে গত বুধবার (২৭ মে) রাতে ময়নাতদন্ত না করার জন্য পরিবারের আবেদনের পর ছয় নবজাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় রমনা থানায় এক নবজাতকের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে রুটির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। শনিবার (৩০ মে) বিকেলে হাসপাতালটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, ‘বেকারি পাওয়া গেছে। দুই ইলেকট্রিক ওভেন দিয়ে চলে। ইঞ্জিনিয়ার নেই। এটা উচিত হয়নি।

প্রচুর ময়লা পাওয়া গেছে।’ বিষয়টা শক্তভাবে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।
আরো পড়ুন

বেতন বৈষম্য কমাচ্ছে সরকার, অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন যারা
 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য এই বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দুজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তারাও বেশ কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন।’

এ ছাড়া তদন্ত কমিটির সদস্য তিন জন বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি জানান, আগামী ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

এর আগে গত বুধবার (২৭ মে) রাতে ময়নাতদন্ত না করার জন্য পরিবারের আবেদনের পর ছয় নবজাতকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় রমনা থানায় এক নবজাতকের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ১১ জন মা ও ছয় নবজাতক ভর্তি ছিল। 

মঙ্গলবার (২৬ মে) দিবাগত রাতে ঠাণ্ডা অনুভব করায় এক মা নার্সকে এসি বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেন। পরে প্রায় এক ঘণ্টা এসি বন্ধ রাখা হয়।

তবে গরম অনুভূত হওয়ায় এসি পুনরায় চালু করা হলে কিছু সময়ের মধ্যেই দুই নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের এনআইসিইউতে নেওয়া হয়। পরে একে একে বাকি নবজাতকরাও অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং সকালে ছয় নবজাতকেরই মৃত্যু হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow