আধুনিক প্রযুক্তিতে চিংড়ি চাষে শেকৃবি-টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মশালা

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি চাষকে আধুনিক ও টেকসই করতে পাঁচ দিনব্যাপী কারিগরি কর্মশালা শুরু হয়েছে। ‘চিংড়ি চাষে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করেছে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।   সোমবার (৪ মে) কর্মশালার প্রথম দিনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় খুলনার ডুমুরিয়া এলাকায়। কর্মশালায় ছয় শতাধিক চিংড়ি চাষি অংশগ্রহণ করছেন। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আয়া সুজুকি এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। তাদের তত্ত্বাবধানে চাষিদের আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কর্মশালার মূল লক্ষ্য ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে চিংড়ি চাষের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু-সহিষ্ণু মৎস্যচাষ নিশ্চিত করা। আরও পড়ুনউৎসবের মাসে বিষাদের ছায়া কিশোরগঞ্জে নতুন করে তলিয়েছে ২৫০০ হেক্টর জমির ধান  পাঁচ দিনব্যাপী এ কর্মশালা পর্যায়ক্রমে পাঁচটি উপকূলীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সূচি অনুযায়ী ৫ মে আশাশুনি (সাতক্ষীরা), ৬ মে শ্যামনগর (সাতক্ষীরা), ৭ মে রামপাল (

আধুনিক প্রযুক্তিতে চিংড়ি চাষে শেকৃবি-টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মশালা

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি চাষকে আধুনিক ও টেকসই করতে পাঁচ দিনব্যাপী কারিগরি কর্মশালা শুরু হয়েছে। ‘চিংড়ি চাষে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করেছে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।  

সোমবার (৪ মে) কর্মশালার প্রথম দিনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় খুলনার ডুমুরিয়া এলাকায়। কর্মশালায় ছয় শতাধিক চিংড়ি চাষি অংশগ্রহণ করছেন। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আয়া সুজুকি এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। তাদের তত্ত্বাবধানে চাষিদের আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

কর্মশালার মূল লক্ষ্য ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে চিংড়ি চাষের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু-সহিষ্ণু মৎস্যচাষ নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুন
উৎসবের মাসে বিষাদের ছায়া 
কিশোরগঞ্জে নতুন করে তলিয়েছে ২৫০০ হেক্টর জমির ধান 

পাঁচ দিনব্যাপী এ কর্মশালা পর্যায়ক্রমে পাঁচটি উপকূলীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সূচি অনুযায়ী ৫ মে আশাশুনি (সাতক্ষীরা), ৬ মে শ্যামনগর (সাতক্ষীরা), ৭ মে রামপাল (বাগেরহাট) এবং ৮ মে বাগেরহাট সদর এলাকায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। 

প্রশিক্ষণে আরও অংশ নিচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সারওয়ার, ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহেদ মো. জিল্লুর রহমান রিগান, আশাশুনি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, শ্যামনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তাওহিদ হাসান, রামপাল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শোহেবুল ইসলাম।

আয়োজকরা আশা করছেন, এই কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত তথ্য ভবিষ্যতে কৃষি ও মৎস্য খাতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন এবং নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এমডিএস‌এ/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow