আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় আগামীতে দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : বিভাগীয় কমিশনার
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন ম বজলুর রশীদ বলেছেন, রাজশাহী বিভাগে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটের মাধ্যমে এখানে যে আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় গড়ে উঠেছে, তা আগামী দিনগুলোতে দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিভাগীয় কমিশনার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সমন্বয় সভায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ড. আ ন ম বজলুর রশীদ বলেন, কোনো কাজ যেন আমরা অন্যের কাজ মনে না করি, সকল কাজে যেন আমরা অংশগ্রহণ করি। নিজের কাজগুলো তো আমরা করবই, সেই সাথে অন্য দপ্তরের কাজগুলোর কিছু কিছু করে যদি আমরা খোঁজ রাখি, তাহলে আমাদের এই দেশ ও সমাজটা সুন্দরভাবে তৈরি করতে পারব।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে রাজশাহী বিভাগে প্রায় ৭২ শতাংশ ভোটার উপস্থিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এ বিভাগে ভোটার উপস্থিতি জাতীয় উপস্থিতি থেকে অনেক বেশি এবং দেশের আট বিভাগের মধ্যে সিলেটের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রত্যেকটি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজেদের কাজের বাইরে ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করত
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন ম বজলুর রশীদ বলেছেন, রাজশাহী বিভাগে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটের মাধ্যমে এখানে যে আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় গড়ে উঠেছে, তা আগামী দিনগুলোতে দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিভাগীয় কমিশনার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সমন্বয় সভায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ড. আ ন ম বজলুর রশীদ বলেন, কোনো কাজ যেন আমরা অন্যের কাজ মনে না করি, সকল কাজে যেন আমরা অংশগ্রহণ করি। নিজের কাজগুলো তো আমরা করবই, সেই সাথে অন্য দপ্তরের কাজগুলোর কিছু কিছু করে যদি আমরা খোঁজ রাখি, তাহলে আমাদের এই দেশ ও সমাজটা সুন্দরভাবে তৈরি করতে পারব।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে রাজশাহী বিভাগে প্রায় ৭২ শতাংশ ভোটার উপস্থিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এ বিভাগে ভোটার উপস্থিতি জাতীয় উপস্থিতি থেকে অনেক বেশি এবং দেশের আট বিভাগের মধ্যে সিলেটের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রত্যেকটি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজেদের কাজের বাইরে ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রচার করেছেন। এজন্য তিনি সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের কৃতিত্ব প্রদান করেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৪৮তম বিশেষ বিসিএস এর মাধ্যমে এই বিভাগে প্রতি উপজেলার জন্য সাত-আট জন করে মোট ৪৫০ জন ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গত দুই মাসে রাজশাহী মেডিকেলে ৮-৯ টি নমুনা পরীক্ষায় কোনো কোভিড শনাক্ত হয়নি। এ সময়ে ৮০ জন ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে দুজন মারা গেছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, রোজা ও সেচ মৌসুম উপলক্ষে লোড ম্যানেজমেন্টের জন্য তারা কন্ট্রোল রুম চালু করছে। এ বছর রাজশাহী বিভাগে লক্ষ্যমাত্রার দ্বিগুণ খাদ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সাড়ে তিন লাখ টন চাল মজুত আছে বলে জানিয়েছে খাদ্য বিভাগ। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ডাল ছাড়া সব ধরনের খাদ্য উৎপাদনে এই বিভাগে উদ্বৃত্ত রয়েছে। বিভাগের চাহিদা পূরণের পর বিভিন্ন ধরনের উদ্বৃত্ত খাদ্য পণ্য সারাদেশে সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের চাহিদার ২৪ শতাংশ আলু এ বিভাগ থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।
রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন নদী খননের জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চালু আছে এবং নতুন করে খননের জন্য প্রকল্প পাস হয়েছে বলে জানিয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধি। তিনি আরও জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর ও শিবগঞ্জে নদী ভাঙন প্রতিরোধে একটি প্রকল্প সম্প্রতি একনেকে পাস হয়েছে যার মাধ্যমে আগামী বর্ষার আগেই নদী ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতাহারে ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের জন্য নীতিমালা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে এবার ছয়টি জটিল রোগের চিকিৎসায় ২০০ জন রোগীর জন্য ৫০ হাজার টাকা করে ১ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
এ সময় বিভাগীয় কমিশনার সার পাচার ও আন্তঃউপজেলা স্থানান্তর রোধে নিবিড় মনিটরিং এর জন্য কৃষি দপ্তর ও সংশ্লিষ্টদের, বিদ্যুতের মিটার চুরি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে পল্লিবিদ্যুৎ দপ্তরকে, খাল খনন কর্মসূচি শুরুর আগে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণে জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বরেন্দ্র বহুমুখী প্রকল্প ও বিএডিসির কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ জানান। সভাপতি রমজানে যানজট হয় এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে সড়ক ও জনপথ দপ্তরকে এবং বিভিন্ন ধরনের ভাতার কার্ড যেন সচ্ছল মানুষেরা না নিতে পারে তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেন।
তিনি পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং ভেজালমুক্ত খাবার ভোক্তার কাছে পৌঁছে দিতে নিবিড় বাজার মনিটরিং অব্যাহত রাখতে জেলা প্রশাসক, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন। রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় দপ্তর প্রধান এবং আট জেলার জেলা প্রশাসকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।