আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো তেলের দাম

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের সম্মতি এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৭ সেন্ট বা ০ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমে ৯৭ দশমিক ১৪ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৬২ সেন্ট বা ০ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। রয়টার্স বলছে, লেবানন ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের খবর বাজারে আশাবাদ তৈরি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতও একটি বৃহত্তর সমঝোতার মাধ্যমে শেষ হতে পারে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে। এর আগে বুধবার উভয় ধরনের তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ বেড়েছিল। ইরানের কুয়েতে হামলা এবং হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি মার্কিন সামরিক হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। এদিকে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান

আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো তেলের দাম

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের সম্মতি এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৭ সেন্ট বা ০ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমে ৯৭ দশমিক ১৪ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৬২ সেন্ট বা ০ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

রয়টার্স বলছে, লেবানন ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের খবর বাজারে আশাবাদ তৈরি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতও একটি বৃহত্তর সমঝোতার মাধ্যমে শেষ হতে পারে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।

এর আগে বুধবার উভয় ধরনের তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ বেড়েছিল। ইরানের কুয়েতে হামলা এবং হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি মার্কিন সামরিক হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়।

এদিকে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা সীমিত করতে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। যদিও এটি কার্যকর হতে হলে সিনেটের অনুমোদন এবং সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট ভেটো অতিক্রম করতে হবে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বুধবার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় অগ্রগতি হতে পারে এবং সপ্তাহান্তের মধ্যেই একটি সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ হয়নি, তবে আলোচনায় এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। উভয় পক্ষ পরস্পরের দেওয়া খসড়া প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২৯ মে শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত ৮০ লাখ ব্যারেল কমে ৪৩ কোটি ৩৭ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। বিশ্লেষকরা যেখানে ৪০ লাখ ব্যারেল হ্রাসের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, সেখানে মজুত আরও বেশি কমেছে।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান হাইতং ফিউচারসের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বৈশ্বিক তেলের মজুত দ্রুত কমে যাওয়ায় সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্যহীনতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে তেলের দাম উচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow