আফ্রিকার বৃহত্তম বিমানবন্দর নির্মাণ করছে ইথিওপিয়া

আফ্রিকার আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ইথিওপিয়া। দেশটির রাজধানী আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৩০ মাইল দূরে নির্মাণাধীন একটি নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আফ্রিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিমান অবকাঠামো প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদ আলী জানিয়েছেন, এটি আফ্রিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর প্রকল্প। এই প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিমানবন্দরটি চালু হবে। এতে থাকবে দুটি রানওয়ে এবং প্রাথমিকভাবে বছরে প্রায় ৬ কোটি যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা। ভবিষ্যতে এই সক্ষমতা বাড়িয়ে ১১ কোটি যাত্রী পর্যন্ত নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে—যা বর্তমানে বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আটলান্টা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর চেয়েও বেশি। প্রকল্পটির নেতৃত্ব দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স, যা এরই মধ্যে আফ্রিকার বৃহত্তম বিমান সংস্থা হিসেবে পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী জানিয়েছেন, মোট ব্যয়ের ৩০ শতাংশ তারা নিজস্ব বিনিয়োগ থেকে বহন করবে, বাকি অর্থ সংগ্রহের জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে

আফ্রিকার বৃহত্তম বিমানবন্দর নির্মাণ করছে ইথিওপিয়া

আফ্রিকার আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ইথিওপিয়া। দেশটির রাজধানী আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৩০ মাইল দূরে নির্মাণাধীন একটি নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আফ্রিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিমান অবকাঠামো প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদ আলী জানিয়েছেন, এটি আফ্রিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর প্রকল্প। এই প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছে চলতি বছরের জানুয়ারিতে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিমানবন্দরটি চালু হবে। এতে থাকবে দুটি রানওয়ে এবং প্রাথমিকভাবে বছরে প্রায় ৬ কোটি যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা। ভবিষ্যতে এই সক্ষমতা বাড়িয়ে ১১ কোটি যাত্রী পর্যন্ত নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে—যা বর্তমানে বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আটলান্টা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর চেয়েও বেশি।

প্রকল্পটির নেতৃত্ব দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স, যা এরই মধ্যে আফ্রিকার বৃহত্তম বিমান সংস্থা হিসেবে পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী জানিয়েছেন, মোট ব্যয়ের ৩০ শতাংশ তারা নিজস্ব বিনিয়োগ থেকে বহন করবে, বাকি অর্থ সংগ্রহের জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

বর্তমানে বোল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আফ্রিকার অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর হলেও এটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছে গেছে এবং সম্প্রসারণের সুযোগ সীমিত। নতুন এই বিমানবন্দর মূলত ট্রানজিট যাত্রীদের জন্য একটি বড় হাব হিসেবে কাজ করবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন বিমানবন্দর চালু হলে আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ বাড়বে, যা এখনো অনেক ক্ষেত্রে ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যের মাধ্যমে নির্ভরশীল।

এছাড়া, এই প্রকল্প আফ্রিকার বাণিজ্য খাতেও বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বিমানবন্দরটিতে বছরে প্রায় ৩.৭৩ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহনের সুবিধা থাকবে, যা আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া-এর বাস্তবায়নকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।

তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু বিমানবন্দর নির্মাণই যথেষ্ট নয়—সড়ক, রেল, বিদ্যুৎ ও কাস্টমস ব্যবস্থার উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এসব অবকাঠামো উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে প্রকল্পটি আফ্রিকার অর্থনীতিতে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow