আবারও বন্ধ হবিগঞ্জ- সিলেট বাস চলাচল
হবিগঞ্জ-সিলেট রুটের বাস মৌলভীবাজারের ওপর দিয়ে বাস চলাচল করতে বাধা এবং শ্রমিকদের মারধরের ঘটনায় আবারও হবিগঞ্জ- সিলেট, মৌলভীবাজারসহ জেলার সবগুলো রুটে বিরতিহীন বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপ।
রোববার (১৭ মে) সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে হবিগঞ্জ- সিলেট ও মৌলভীবাজার, ভায়া- সিলেটসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাস ছেড়ে যায়নি। এতে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
হবিগঞ্জ জেলা মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সুহেল চৌধুরী জানান, হবিগঞ্জের বাস চলাচলে মৌলভীবাজার এসএমএস বাস মালিক সমিতির লোকজন বাধা ও আমাদের শ্রমিকদের মারপিট করেছে ৷ এর প্রতিবাদে ১ম দফা আমরা হবিগঞ্জের বাস চলাচল বন্ধ করে দেই৷ গত ১৪ মে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হবিগঞ্জ থেকে মৌলভীবাজার হয়ে সিলেট রুটে পুনরায় বিরতিহীন বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু গতকাল (শনিবার) সকাল থেকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ‘মৌলভীবাজার এসএমএস বাস মালিক সমিতির’ লোকজন হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এক্সপ্রেস সার্ভিসের কয়েকটি বাস আটকে চালক ও স্টাফদের মারধর করেন।
তিনি বলেন, প্রতিবাদে শনিবার মহাসড়ক অবরোধ করেছি৷ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের অনুর
হবিগঞ্জ-সিলেট রুটের বাস মৌলভীবাজারের ওপর দিয়ে বাস চলাচল করতে বাধা এবং শ্রমিকদের মারধরের ঘটনায় আবারও হবিগঞ্জ- সিলেট, মৌলভীবাজারসহ জেলার সবগুলো রুটে বিরতিহীন বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপ।
রোববার (১৭ মে) সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে হবিগঞ্জ- সিলেট ও মৌলভীবাজার, ভায়া- সিলেটসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাস ছেড়ে যায়নি। এতে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
হবিগঞ্জ জেলা মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সুহেল চৌধুরী জানান, হবিগঞ্জের বাস চলাচলে মৌলভীবাজার এসএমএস বাস মালিক সমিতির লোকজন বাধা ও আমাদের শ্রমিকদের মারপিট করেছে ৷ এর প্রতিবাদে ১ম দফা আমরা হবিগঞ্জের বাস চলাচল বন্ধ করে দেই৷ গত ১৪ মে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হবিগঞ্জ থেকে মৌলভীবাজার হয়ে সিলেট রুটে পুনরায় বিরতিহীন বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু গতকাল (শনিবার) সকাল থেকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ‘মৌলভীবাজার এসএমএস বাস মালিক সমিতির’ লোকজন হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এক্সপ্রেস সার্ভিসের কয়েকটি বাস আটকে চালক ও স্টাফদের মারধর করেন।
তিনি বলেন, প্রতিবাদে শনিবার মহাসড়ক অবরোধ করেছি৷ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের অনুরোধে মহাসড়ক অবরোধ স্থগিত করি৷ হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের প্রস্তাবে আমরা মৌলভীবাজার জেলায় একটি স্টপেজ ছেড়ে দিতে রাজি হলেও এখনো কোনো সুরাহা হয়নি৷
প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে অমান্য করে মৌলভীবাজার দিয়ে হবিগঞ্জের বাস চলাচলে এখনো বাধা দেওয়া হচ্ছে৷ এরই প্রতিবাদে রোববার হবিগঞ্জ বিরতিহীন বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷
হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. ফজলুর রহমান চৌধুরী অভিযোগ করেন, বিভাগীয় কমিশনারের সিদ্ধান্ত কার্যকর না করে পেশিশক্তির মাধ্যমে বারবার মৌলভীবাজারে হবিগঞ্জের বাস চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে ৷
তিনি বলেন, প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে বাস আটকানোর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি প্রশাসনের প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞার শামিল।
পরিবহন শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে বিরতিহীন বাস চলাচলকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ বিরতিহীন পরিবহন ও মৌলভীবাজার এসএমএস বাস মালিক সমিতির মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। কয়েকদিন আগেও ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জের বাস আটক ও চালকদের মারধরের ঘটনায় টানা দুই দিন হবিগঞ্জ থেকে সিলেটে বাস চলাচল বন্ধ ছিল।
এদিকে শনিবারের অবরোধ ও রোববার বাস চলাচল বন্ধ থাকার কারণে সাধারণ যাত্রীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের বলি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। জরুরি চিকিৎসা, চাকরি, পরীক্ষা কিংবা প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতকারী মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি কেউ বিবেচনায় নিচ্ছে না।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘দুই জেলার বাস মালিক সমিতির বিরোধের দায় সাধারণ মানুষ কেন বহন করবে? ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষার জন্য গাড়ি আটক করে বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে কোনো দাবি আদায় গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত দুই পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তি করে স্থায়ী শান্তি ও স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করবে।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী বলেন, শনিবার দুই পক্ষের সঙ্গে কথা হলেও পুরোপুরি সমাধান হয়নি৷ আজ ঢাকায় দুই পক্ষের নেতারা বসার কথা রয়েছে৷
হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ বলেন, স্থায়ী সমাধানের জন্য উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে৷ ঢাকা সিলেট হাইওয়ে সচল আছে।