আবারও হামলা হলে নতুন অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি ইরানের

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালায়, তাহলে ভিন্ন কৌশল ও নতুন অস্ত্র ব্যবহার করে নতুন ফ্রন্ট খোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। তেহরানের ভ্যালিয়াসর স্কয়ারে এক জনসমাবেশে এ কথা বলেন ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া।  মঙ্গলবার (১৯ মে) দেশটির সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ তার এই বক্তব্য প্রকাশ করেছে। জেনারেল আক্রমিনিয়া বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে অবরুদ্ধ করা বা পরাজিত করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়ে ইসরায়েলের ফাঁদে পা দেয় এবং আমাদের প্রিয় ইরানের বিরুদ্ধে নতুন আগ্রাসন চালায়, তাহলে আমরা নতুন পদ্ধতি ও নতুন অস্ত্র দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে নতুন ফ্রন্ট খুলব। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির সময়কেও আমরা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করছি এবং এই সময়কে সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আক্রমিনিয়া বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং এই কৌশলগত নৌপথের পরিস্থিতি আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না

আবারও হামলা হলে নতুন অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি ইরানের
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালায়, তাহলে ভিন্ন কৌশল ও নতুন অস্ত্র ব্যবহার করে নতুন ফ্রন্ট খোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। তেহরানের ভ্যালিয়াসর স্কয়ারে এক জনসমাবেশে এ কথা বলেন ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া।  মঙ্গলবার (১৯ মে) দেশটির সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ তার এই বক্তব্য প্রকাশ করেছে। জেনারেল আক্রমিনিয়া বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে অবরুদ্ধ করা বা পরাজিত করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়ে ইসরায়েলের ফাঁদে পা দেয় এবং আমাদের প্রিয় ইরানের বিরুদ্ধে নতুন আগ্রাসন চালায়, তাহলে আমরা নতুন পদ্ধতি ও নতুন অস্ত্র দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে নতুন ফ্রন্ট খুলব। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির সময়কেও আমরা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করছি এবং এই সময়কে সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আক্রমিনিয়া বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং এই কৌশলগত নৌপথের পরিস্থিতি আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। তার মতে, শত্রুপক্ষের সামনে একমাত্র পথ হলো ইরানি জাতির প্রতি সম্মান দেখানো এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বৈধ অধিকার মেনে নেওয়া। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এপ্রিলের শুরু থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ এখনো বহাল রয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, অবরোধ প্রত্যাহার এবং যুদ্ধের স্থায়ী অবসান না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে না। সূত্র : প্রেস টিভি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow