আবেগে ভাসলেন এমবাপ্পে: ‘এই কষ্ট সহজে যাবে না’

বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গের এক সপ্তাহ পর ফ্রান্সের সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন একটি খোলা চিঠি লিখেছেন দলের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। চিঠিতে তিনি শিরোপা জিততে না পারার আক্ষেপ প্রকাশের পাশাপাশি সমর্থক ও সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। গোল ডটকম-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) ফ্রান্সের একটি আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত ওই খোলা চিঠিতে ব্যক্তিগত কিছু ছবিও যুক্ত করেন এমবাপ্পে। এর মধ্যে শৈশবে নিজের আদর্শ থিয়েরি অঁরির পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছবিও রয়েছে। চিঠিতে এমবাপ্পে লেখেন, “আমরা দলগত কোনো ট্রফি দেশে ফিরিয়ে আনতে পারিনি। এটা কষ্ট দিচ্ছে, এবং আরও কিছুদিন কষ্ট দেবে। আমি সেটা লুকাব না।” ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স সেমিফাইনালে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়া স্পেনের কাছে হেরে যায়। পরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয়ে চতুর্থ স্থান নিয়েই আসর শেষ করে দলটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমর্থকদের উদ্দেশে এমবাপ্পে লিখেছেন, “আপনারা সময়ের পার্থক্য উপেক্ষা করে গভীর রাত পর্যন্ত জেগে আমাদের খেলা দেখেছেন। কেউ ঘরে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, আবার কেউ স্টেডিয়ামে কাঁধে পতাকা জড়ি

আবেগে ভাসলেন এমবাপ্পে: ‘এই কষ্ট সহজে যাবে না’

বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গের এক সপ্তাহ পর ফ্রান্সের সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন একটি খোলা চিঠি লিখেছেন দলের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। চিঠিতে তিনি শিরোপা জিততে না পারার আক্ষেপ প্রকাশের পাশাপাশি সমর্থক ও সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

গোল ডটকম-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) ফ্রান্সের একটি আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত ওই খোলা চিঠিতে ব্যক্তিগত কিছু ছবিও যুক্ত করেন এমবাপ্পে। এর মধ্যে শৈশবে নিজের আদর্শ থিয়েরি অঁরির পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছবিও রয়েছে।

চিঠিতে এমবাপ্পে লেখেন, “আমরা দলগত কোনো ট্রফি দেশে ফিরিয়ে আনতে পারিনি। এটা কষ্ট দিচ্ছে, এবং আরও কিছুদিন কষ্ট দেবে। আমি সেটা লুকাব না।”

২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স সেমিফাইনালে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়া স্পেনের কাছে হেরে যায়। পরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয়ে চতুর্থ স্থান নিয়েই আসর শেষ করে দলটি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমর্থকদের উদ্দেশে এমবাপ্পে লিখেছেন, “আপনারা সময়ের পার্থক্য উপেক্ষা করে গভীর রাত পর্যন্ত জেগে আমাদের খেলা দেখেছেন। কেউ ঘরে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, আবার কেউ স্টেডিয়ামে কাঁধে পতাকা জড়িয়ে আমাদের সমর্থন করেছেন। সবচেয়ে কঠিন সময়েও আপনারা আমাদের ছেড়ে যাননি। এই গল্প শুধু মাঠের ১১ জনের নয়, লাখো সমর্থকেরও।”

বিশ্বকাপে ১০ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতলেও দলীয় ব্যর্থতার আক্ষেপই বেশি বলে জানিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড। তিনি বলেন, “সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি পেয়ে আমি গর্বিত। কিন্তু ট্রফিটা সঙ্গে থাকলে আরও ভালো হতো। হয়তো আমরা আপনাদের আরও ভালো একটি সমাপ্তি পাওনা ছিলাম। তবে গল্পের শেষটা সবসময় আমাদের হাতে থাকে না। আমাদের হাতে থাকে আমরা কতটা উজাড় করে দেব। আমরা আমাদের সর্বস্ব দিয়েছি, এ জন্য আমরা গর্বিত।”

সতীর্থদের প্রশংসা করে এমবাপ্পে লেখেন, “তাদের পরিশ্রম, দৌড়, পাস এবং দলীয় মানসিকতা ছাড়া আমি এতগুলো গোল করতে পারতাম না। এই অর্জন শুধু আমার নয়, পুরো দলের।”

চিঠির শেষাংশে বিশ্বকাপ যাত্রার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, *“ছোটবেলায় অন্তত একবার বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। এখন তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছি, একটি জিতেছি এবং এবার অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামার সম্মান পেয়েছি। এই অভিজ্ঞতা আমি কখনো ভুলব না।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow