‘আব্বু, আমাকে কয়টা নাম্বার দিন’ পরীক্ষার খাতায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় পরীক্ষায় খাতায় নম্বর চেয়ে শিক্ষককে ‘আব্বু’ সম্মোধন করেছে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এ নিয়ে পরীক্ষার খাতার ছবিসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, শিক্ষার্থী তার পরীক্ষার খাতায় ভুল-শুদ্ধ বানানে লিখেছে, ‘স্যার, সত্যি কথা বলতে আজকে শিখবো, কালকে শিখবো, এরকম করে সময় চলে গেছে। কিছু শেখা হয়নি। তাই পরীক্ষার খাতায় কিছু লিখতে পারলাম না। বলছিলাম কী স্যার, আপনাকে আব্বু ডাকলাম। দয়া করে আমাকে কয়টা নাম্বার দিন। আব্বু, আব্বু, আব্বু ...আব্বু, আমাকে কয়টা নাম্বার দিন।’ উত্তরপত্রটি শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই শিক্ষক লেখেন, ‘আমার স্কুলের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর অবস্থা দেখুন।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘শিক্ষার বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই উত্তরপত্রটি শেয়ার করেছি। কাউকে হেয় করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি দূর করতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’ উত্তরপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার মান নিয়েও নানা প্রশ্ন তুলছে

‘আব্বু, আমাকে কয়টা নাম্বার দিন’ পরীক্ষার খাতায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় পরীক্ষায় খাতায় নম্বর চেয়ে শিক্ষককে ‘আব্বু’ সম্মোধন করেছে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এ নিয়ে পরীক্ষার খাতার ছবিসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়েছে।

এতে দেখা যায়, শিক্ষার্থী তার পরীক্ষার খাতায় ভুল-শুদ্ধ বানানে লিখেছে, ‘স্যার, সত্যি কথা বলতে আজকে শিখবো, কালকে শিখবো, এরকম করে সময় চলে গেছে। কিছু শেখা হয়নি। তাই পরীক্ষার খাতায় কিছু লিখতে পারলাম না। বলছিলাম কী স্যার, আপনাকে আব্বু ডাকলাম। দয়া করে আমাকে কয়টা নাম্বার দিন। আব্বু, আব্বু, আব্বু ...আব্বু, আমাকে কয়টা নাম্বার দিন।’

উত্তরপত্রটি শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই শিক্ষক লেখেন, ‘আমার স্কুলের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর অবস্থা দেখুন।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘শিক্ষার বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই উত্তরপত্রটি শেয়ার করেছি। কাউকে হেয় করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি দূর করতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

উত্তরপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার মান নিয়েও নানা প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আ ন ম হাসান বলেন, ‘একটি উত্তরপত্র দেখে পুরো শিক্ষাব্যবস্থার মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না। তবে এমন ঘটনা অবশ্যই উদ্বেগজনক। শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা বাড়াতে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

ইকবাল হোসেন মজনু/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow