আম-কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান

কৃষিখাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় আম-কাঁঠালসহ ড্রাই ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর খামারবাড়ির বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জাপান আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদার ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে। একই সঙ্গে জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়ন এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়। জাপানের ওয়াগিউ গরুর মাংস রপ্তানি ও হালাল খাদ্য খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে। জাপান টেকসই কৃষি উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে। যৌথ ঋণ ব্যবস্থার মতো কাঠামোর আওতায় সহযোগিতা জোরদারের কথাও উল্লেখ করে। বাংলাদেশ উন্নত কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেয়। জিনোমিক্স ও ফেনোমিক্সভিত্তিক স্পিড ব্রিডিং প্রযুক্তি ও সবজি বীজ উৎপাদন গুরুত্ব পায়। আম ও হিমায়িত খাদ্যসহ বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্যের আমদানি বাড়ানোর বিষয়টিও এসময় তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তি- ড্রোন, বিগ ডাটা ও

আম-কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান

কৃষিখাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় আম-কাঁঠালসহ ড্রাই ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর খামারবাড়ির বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

জাপান আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদার ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে। একই সঙ্গে জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়ন এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।

জাপানের ওয়াগিউ গরুর মাংস রপ্তানি ও হালাল খাদ্য খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে।

জাপান টেকসই কৃষি উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে। যৌথ ঋণ ব্যবস্থার মতো কাঠামোর আওতায় সহযোগিতা জোরদারের কথাও উল্লেখ করে।

বাংলাদেশ উন্নত কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেয়। জিনোমিক্স ও ফেনোমিক্সভিত্তিক স্পিড ব্রিডিং প্রযুক্তি ও সবজি বীজ উৎপাদন গুরুত্ব পায়। আম ও হিমায়িত খাদ্যসহ বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্যের আমদানি বাড়ানোর বিষয়টিও এসময় তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তি- ড্রোন, বিগ ডাটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে জাপানের সহযোগিতা কামনা করে। পাশাপাশি, কাঁঠাল ও আম প্রক্রিয়াজাতকরণ (ড্রাই ফুড) খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়।

আলোচনায় গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ ও খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড নিশ্চিতকরণকে সম্ভাবনাময় সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

বৈঠকে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড কৃষি। কৃষির আধুনিকায়ন, যান্ত্রিকীকরণ, ভ্যালু চেইন উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীল চর্চা এগিয়ে নিতে জাপানের সহযোগিতাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছি।

জাপানের দক্ষতা, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই. মোহামেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেনসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জাপান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য বিষয়ক মন্ত্রী সুজুকি নোরিকাজু। প্রতিনিধিদলে ছিলেন সচিব তানাকা তাতসুআকি, সচিব নিসাকা মাকোতো এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি।

এনএইচ/এএসএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow