আম দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে সহপাঠীদের সামনে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আম দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে সহপাঠীদের সামনেই হাত-পা বেঁধে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সজীব নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সজীব উপজেলার পৌর এলাকার বাড়াবিল শিমুলপাড়া গ্রামের হাফেজ আবদুল হাইয়ের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে রবিবার শাহজাদপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।মামলা এবং ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে অভিযুক্ত সজীব আম দেওয়ার কথা বলে চতুর্থ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। বাড়িতে সজীবের স্ত্রী ও বাড়ির লোকজন কেউ না থাকার সুযোগে কৌশলে তাদের ঘরে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। প্রথমে হাত-পা বেঁধে তিন শিশুকেই বিবস্ত্র করে বিছানায় যৌন নিপীড়ন চালায়। পরে দুজনকে বিছানার পাশে অন্যদিকে মুখ দিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখে এক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ওই তিন শিশুকে তিন শত টাকা দেয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তিন শিশু টাকা না নিয়ে ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে স্বজনদের জানায়। সাথে সাথে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর দাদা এলাকার প্রধানদের শরণাপন্ন হন এবং উপযুক্ত বিচার প্রার্থনা করেন। এ ঘটনায় এলাকার

আম দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে সহপাঠীদের সামনে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আম দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে সহপাঠীদের সামনেই হাত-পা বেঁধে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সজীব নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সজীব উপজেলার পৌর এলাকার বাড়াবিল শিমুলপাড়া গ্রামের হাফেজ আবদুল হাইয়ের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে রবিবার শাহজাদপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা এবং ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে অভিযুক্ত সজীব আম দেওয়ার কথা বলে চতুর্থ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। বাড়িতে সজীবের স্ত্রী ও বাড়ির লোকজন কেউ না থাকার সুযোগে কৌশলে তাদের ঘরে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। প্রথমে হাত-পা বেঁধে তিন শিশুকেই বিবস্ত্র করে বিছানায় যৌন নিপীড়ন চালায়। পরে দুজনকে বিছানার পাশে অন্যদিকে মুখ দিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখে এক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ওই তিন শিশুকে তিন শত টাকা দেয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তিন শিশু টাকা না নিয়ে ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে স্বজনদের জানায়। সাথে সাথে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর দাদা এলাকার প্রধানদের শরণাপন্ন হন এবং উপযুক্ত বিচার প্রার্থনা করেন। এ ঘটনায় এলাকার প্রধানবর্গ রোববার সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন।

এদিকে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে এটাকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে অভিযুক্ত সজীব এবং তার বাবা হাফেজ আব্দুল হাই সালিশে উপস্থিত না হলে বিক্ষুব্ধ হয়ে যায় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সালিশ বৈঠক পণ্ড হয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদিকে সব অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সজীবের বাবা হাফেজ আব্দুল হাই জানিয়েছেন, তার ছেলে সজীব ঢাকায় পড়াশোনা করার কারণে বাড়িতেই থাকে না। তার ছেলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে এলাকার প্রধানরা টাকা দাবি করে। এই টাকা না দেওয়ার কারণে সম্মানহানি করার জন্য তার ছেলেকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow