‘আমরা তো আসলে এই কারণেই কাজ করি’

শন টেইটের বিদায়ের পর আসন্ন অস্ট্রেলিয়া ও জিম্বাবুয়ে সিরিজে বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেস বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তালহা জুবায়ের। দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন, জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করা সব স্থানীয় কোচেরই স্বপ্ন। বৃহস্পতিবার একটি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তালহা জুবায়ের বলেন, ‘এটা অবশ্যই বিশেষ কিছু। আমরা তো আসলে এই কারণেই কাজ করি। সবসময় একটা স্বপ্ন থাকে বাংলাদেশ দলের হয়ে কাজ করব এবং বিশ্বের সেরা আন্তর্জাতিক দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের দক্ষতা যাচাই করার সুযোগ পাব। সেখানে কৌশলগত পরিকল্পনা, বোলারদের পারফরম্যান্স, সবকিছুই একটা বড় চ্যালেঞ্জ।’ তিনি জানান, শন টেইটের বিদায়ের পর স্থানীয় কোচদের ওপরই দায়িত্ব এসেছে, ‘শন টেইট চলে যাওয়ার পর এখন দায়িত্বটা আমাদের কাছে এসেছে। অনেক স্থানীয় কোচই এখন জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করছে। এটা আমাদের সবার জন্যই এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ। সামনে যারা কাজ করছে, সবারই সুযোগ থাকবে। আমরা যদি ভালো করতে পারি, এমন একটা সময় আসতে পারে যখন স্থানীয় কোচরাই বাংলাদেশ দলের হয়ে কাজ করবে।’ স্থানীয় কোচদের ওপর আস্থা রাখায় বিসিবির প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন তালহ

‘আমরা তো আসলে এই কারণেই কাজ করি’

শন টেইটের বিদায়ের পর আসন্ন অস্ট্রেলিয়া ও জিম্বাবুয়ে সিরিজে বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেস বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তালহা জুবায়ের। দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন, জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করা সব স্থানীয় কোচেরই স্বপ্ন।

বৃহস্পতিবার একটি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তালহা জুবায়ের বলেন, ‘এটা অবশ্যই বিশেষ কিছু। আমরা তো আসলে এই কারণেই কাজ করি। সবসময় একটা স্বপ্ন থাকে বাংলাদেশ দলের হয়ে কাজ করব এবং বিশ্বের সেরা আন্তর্জাতিক দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের দক্ষতা যাচাই করার সুযোগ পাব। সেখানে কৌশলগত পরিকল্পনা, বোলারদের পারফরম্যান্স, সবকিছুই একটা বড় চ্যালেঞ্জ।’

তিনি জানান, শন টেইটের বিদায়ের পর স্থানীয় কোচদের ওপরই দায়িত্ব এসেছে, ‘শন টেইট চলে যাওয়ার পর এখন দায়িত্বটা আমাদের কাছে এসেছে। অনেক স্থানীয় কোচই এখন জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করছে। এটা আমাদের সবার জন্যই এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ। সামনে যারা কাজ করছে, সবারই সুযোগ থাকবে। আমরা যদি ভালো করতে পারি, এমন একটা সময় আসতে পারে যখন স্থানীয় কোচরাই বাংলাদেশ দলের হয়ে কাজ করবে।’

স্থানীয় কোচদের ওপর আস্থা রাখায় বিসিবির প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন তালহা। তিনি বলেন, ‘আমি ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা উপলব্ধি করেছে যে স্থানীয় কোচরাও এই পর্যায়ে কাজ করার জন্য যথেষ্ট সক্ষম। এখন আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো, এই জায়গাটা আমরা কতটা ধরে রাখতে পারি।’

অস্ট্রেলিয়া ও জিম্বাবুয়ে সিরিজে নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি যেহেতু অস্ট্রেলিয়া এবং জিম্বাবুয়ে সিরিজে কাজ করবো, নতুন কোনো বোলিং কোচ নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত হয়তো আমরাই এই দায়িত্ব পালন করব।’

খেলোয়াড়দের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তালহা জুবায়ের কৃতিত্বের পুরোটা ক্রিকেটারদেরই দিয়েছেন, ‘আমি সবসময় একটা কথা বলি, কৃতিত্বটা খেলোয়াড়দেরই প্রাপ্য। কারণ মাঠে পারফর্ম তারাই করে। আমরা হয়তো পেছন থেকে সহযোগিতা করি, পরিকল্পনা করি, কিন্তু খেলতে হয় তাদেরই। তারা ভালো খেললে সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের সদস্যদের সঙ্গে কথাও হয়েছে বলে জানান তিনি, ‘সালাউদ্দিন ভাই, সোহেল ভাই, সুজন ভাই, বাবুল ভাই, রাজিন ভাই। অনেকের সঙ্গেই কথা হয়েছে। তারা সবাই বিভিন্ন পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তারা অভিজ্ঞ মানুষ, দেশের সেরা কোচদের মধ্যে আছেন। অনেক খেলোয়াড়ও ফোন করেছে। এখন আমাদের দায়িত্ব হলো স্থানীয় কোচদের জন্য তৈরি হওয়া এই জায়গাটা ধরে রাখা।’

তালহা আরও বলেন, বিসিবির বর্তমান নেতৃত্ব শুধু খেলোয়াড় নয়, কোচ তৈরির দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘তামিম ইকবাল সভাপতি হিসেবে আসার পর একটা বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে। শুধু খেলোয়াড় তৈরি করলেই হবে না, কোচও তৈরি করতে হবে। এই ধরনের সুযোগ ও অভিজ্ঞতা আমাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো কোচ হতে সাহায্য করবে। পরে যখন আমরা ঘরোয়া ক্রিকেট বা অন্যান্য দলে কাজ করব, তখন সেই অভিজ্ঞতা তরুণ ক্রিকেটারদের উন্নয়নে কাজে লাগবে।’

এসকেডি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow