আমলাদের শাসক নয়, সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে : স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, গণতন্ত্রকে অর্থবহ করতে রাষ্ট্রের ব্যুরোক্রেসিকে সঠিক ভূমিকা পালন করতে হবে। আগামী দিনগুলোতে আমলাদের শাসক নয়, বরং সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। সোমবার (০৪ মে) জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত 'জেলাপ্রশাসক সম্মেলন ২০২৬' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  স্পিকার বলেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকগণ রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।  তিনি আরও বলেন, বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী শাসনামলে নির্বাচন ব্যবস্থা ছিল নজিরবিহীন দুর্নীতি  ও ত্রুটিপূর্ণ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ দেশের সামগ্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে জেলাপ্রশাসকগণ সুদৃঢ় ভূমিকা রাখতে পারে। হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত গণতন্ত্রকামী। সাধারণ মানুষের অনেক রক্তক্ষয়ী ত্যাগ তিতিক্ষার পর দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ গণতন্ত্

আমলাদের শাসক নয়, সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে : স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, গণতন্ত্রকে অর্থবহ করতে রাষ্ট্রের ব্যুরোক্রেসিকে সঠিক ভূমিকা পালন করতে হবে। আগামী দিনগুলোতে আমলাদের শাসক নয়, বরং সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।

সোমবার (০৪ মে) জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত 'জেলাপ্রশাসক সম্মেলন ২০২৬' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

স্পিকার বলেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকগণ রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। 

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী শাসনামলে নির্বাচন ব্যবস্থা ছিল নজিরবিহীন দুর্নীতি  ও ত্রুটিপূর্ণ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ দেশের সামগ্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে জেলাপ্রশাসকগণ সুদৃঢ় ভূমিকা রাখতে পারে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত গণতন্ত্রকামী। সাধারণ মানুষের অনেক রক্তক্ষয়ী ত্যাগ তিতিক্ষার পর দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অনন্য। একাত্তরের বাংলাদেশ বাঙ্গালি জাতির অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের পরিচয় বহন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া স্বাগত বক্তব্য দেন। জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন রাঙ্গামাটি জেলার জেলাপ্রশাসক নাজমা আশরাফী, বগুড়ার জেলাপ্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান এবং রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার এ, এন, এম বজলুর রশীদ। এসময় ধন্যবাদসূচক বক্তব্য জ্ঞাপন করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সংসদ গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র। গণতান্ত্রিক বিতর্ক সংসদকে দুর্বল করে না, বরং শক্তিশালী করে। সংসদ থেকে প্রণীত আইন নির্বাহী বিভাগ বাস্তবায়ন করে।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি বলেন, জেলা প্রশাসকগণ সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করে। কেন্দ্রীয় নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনে জেলাপ্রশাসকদের ভূমিকা অর্থবহ।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনারসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow