আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রার্থী বাদ পড়ছে, অভিযোগ খেলাফত মজলিসের

১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে খেলাফত মজলিস। আসন ভাগাভাগিতে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রার্থী বাদ পড়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন দলটির নেতারা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ১১ দলের মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার এক জরুরি অধিবেশনে এমন মন্তব্য করা হয়। খেলাফত মজলিস নেতারা বলেন, নির্বাচনে ইসলামি দলগুলোর ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিয়ে ‘ওয়ান বক্স পলিসি’র প্রস্তাবনা পেশ করেন। তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের সব শক্তির প্রথম ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ তৈরি করেছিল খেলাফত মজলিস। ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খেলাফত মজলিসের সাধারণ পরিষদের দ্বাদশ অধিবেশনে অভ্যুত্থান-পরবর্তী সব পক্ষের নেতাদের সেদিন দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের পক্ষে ও ফ্যাসি

আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রার্থী বাদ পড়ছে, অভিযোগ খেলাফত মজলিসের

১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে খেলাফত মজলিস। আসন ভাগাভাগিতে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রার্থী বাদ পড়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন দলটির নেতারা।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ১১ দলের মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার এক জরুরি অধিবেশনে এমন মন্তব্য করা হয়।

খেলাফত মজলিস নেতারা বলেন, নির্বাচনে ইসলামি দলগুলোর ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিয়ে ‘ওয়ান বক্স পলিসি’র প্রস্তাবনা পেশ করেন।

তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের সব শক্তির প্রথম ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ তৈরি করেছিল খেলাফত মজলিস। ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খেলাফত মজলিসের সাধারণ পরিষদের দ্বাদশ অধিবেশনে অভ্যুত্থান-পরবর্তী সব পক্ষের নেতাদের সেদিন দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের পক্ষে ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছিল।

দলটির নেতারা অভিযোগ করে বলেন, এরই মধ্যে ইসলামি সমমনা ৫টি দল থেকে ৮ দল এবং সর্বশেষ ১১ দল মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ১১ দলের শরিকদের সঙ্গে সর্বশেষ আলোচনায় খেলাফত মজলিসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী ও অঞ্চল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে, যা শুধু খেলাফত মজলিসের জন্যই নয়, জোটের জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে।

তারা জানান, সারাদেশে খেলাফত মজলিসের ৭৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এরই মধ্যে ৭২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

দলটির নেতারা বলেন, ইসলাম এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যাবে খেলাফত মজলিস। তবে তা হবে ইনসাফ ও সম্মানজনক আসন সমঝোতার ভিত্তিতে। সম্ভাবনাময় ও বিজয়ী হয়ে আসার মতো আসনগুলোতে সম্মানজনক সমঝোতার দাবি রাখে খেলাফত মজলিস।

অধিবেশনে দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মুফতি আবদুল হামিদ, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, ডা. এ এ তাওসিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, মাওলানা সামছুজ্জামান চৌধুরী, মাস্টার আবদুল মজিদ, অধ্যাপক মাওলানা এ এস এম খুরশীদ আলম, অধ্যাপক একেএম মাহবুব আলম ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুর রহমান প্রমুখ।

আরএএস/এমকেআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow