‘আমার জীবনটাই দুঃখে দুঃখে গেল, কোথায় যাব, কী করব জানি না’
কাতারের যে কারখানায় রুমানার স্বামী কাজ করতেন, সেখান থেকেও কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা পাননি। পাওনাদারদের চাপ যেমন রয়েছে, তেমনি দুই মেয়ের চিকিৎসার খরচও থামছে না।
What's Your Reaction?