‘আমার নাতনি বেড়াতে গিয়েছিল, পাষণ্ড-কুলাঙ্গার সব শেষ করে দিল’
‘আমার নাতনি বেড়াতে গিয়েছিল, পাষণ্ড কুলাঙ্গার সব শেষ করে দিল’; এভাবেই আহাজারি করছিলেন এক বৃদ্ধা। খালার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পাশবিকতার স্বীকার হয়ে হাসপাতালে কাৎরাচ্ছে ফুটফুটে এক শিশু। কিছু বুজে উঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেল শিশুটির। ঘটনাটি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় নিজামকান্দি গ্রামে ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের বনগ্রাম গ্রামের ১০ বছর বয়সী শিশু পার্শ্ববর্তী কাশিয়ানী উপজেলার নিজাম কান্দিগ্রামে তার খালার বাড়িতে বেড়াতে যায়। ঐ গ্রামের কালাম শেখের ২০ বছর বয়সী ছেলে মুরসালিন রঙ্গুর বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে গোসলের কথা বলে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে শিশুটির সঙ্গে পাশবিকতা চালানোর অভিযোগ উঠে। এরপর ভুক্তভোগী শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে সেই রাতেই গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে তাকে ভর্তি করানো হয়। অভিযুক্তের চাপে প্রাথমিক পর্যায়ে বিষয়টি আত্মীয়-স্বজনরা কাউকে না জানানোর জন্য মনস্থির করেন। পরে শনিবার রাতে শিশুটির নানী নেবা বেগম ঘটনাটি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক জীবিতেশ বিশ্বাসকে অবগত করেন। এরপর তিনি বিষয়টি থানা প
‘আমার নাতনি বেড়াতে গিয়েছিল, পাষণ্ড কুলাঙ্গার সব শেষ করে দিল’; এভাবেই আহাজারি করছিলেন এক বৃদ্ধা। খালার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পাশবিকতার স্বীকার হয়ে হাসপাতালে কাৎরাচ্ছে ফুটফুটে এক শিশু।
কিছু বুজে উঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেল শিশুটির। ঘটনাটি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় নিজামকান্দি গ্রামে ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের বনগ্রাম গ্রামের ১০ বছর বয়সী শিশু পার্শ্ববর্তী কাশিয়ানী উপজেলার নিজাম কান্দিগ্রামে তার খালার বাড়িতে বেড়াতে যায়।
ঐ গ্রামের কালাম শেখের ২০ বছর বয়সী ছেলে মুরসালিন রঙ্গুর বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে গোসলের কথা বলে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে শিশুটির সঙ্গে পাশবিকতা চালানোর অভিযোগ উঠে। এরপর ভুক্তভোগী শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে সেই রাতেই গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে তাকে ভর্তি করানো হয়।
অভিযুক্তের চাপে প্রাথমিক পর্যায়ে বিষয়টি আত্মীয়-স্বজনরা কাউকে না জানানোর জন্য মনস্থির করেন। পরে শনিবার রাতে শিশুটির নানী নেবা বেগম ঘটনাটি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক জীবিতেশ বিশ্বাসকে অবগত করেন। এরপর তিনি বিষয়টি থানা পুলিশের শরণাপন্ন হওয়ার জন্য তাদেরকে বলেন।
ভুক্তভোগী শিশুর নানী জানান, আমার নাতনি আমার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল কিন্তু ‘পাষণ্ড-কুলাঙ্গার’ সব শেষ করে দিল। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো আনিসুর রহমান জানান, অভিযুক্তর বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলায়। তবুও তাকে গ্রেপ্তারে উভয় থানার পুলিশে অভিযান চলছে।
What's Your Reaction?