আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরান পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না: নেতানিয়াহু

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ওয়াশিংটন ও আরব দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা কোন পথে এগোয়, সেটি বিবেচনায় না নিয়েই তিনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকানোর অঙ্গীকার করেছেন। ইরান দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করে আসছেন নেতানিয়াহু। তবে ইরান পরমাণু কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করে থাকে। রোববার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেন, আমি আবারও জোর দিয়ে বলতে চাই- চুক্তি হোক বা না হোক, যত দিন আমি প্রধানমন্ত্রী থাকবো, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। এদিকে, একই বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করার কথাও বলেছেন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে হামাসকে ‘প্রকৃত অর্থে’ নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, হামাস সত্যিকার অর্থে নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) গাজা থেকে কোনো সেনা প্রত্যাহার করবে না। একই সঙ্গে ইসরায়েলি সেনা ও নাগরিকদের জন্য যে

আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরান পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না: নেতানিয়াহু

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ওয়াশিংটন ও আরব দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা কোন পথে এগোয়, সেটি বিবেচনায় না নিয়েই তিনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকানোর অঙ্গীকার করেছেন।

ইরান দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করে আসছেন নেতানিয়াহু। তবে ইরান পরমাণু কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করে থাকে।

রোববার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেন, আমি আবারও জোর দিয়ে বলতে চাই- চুক্তি হোক বা না হোক, যত দিন আমি প্রধানমন্ত্রী থাকবো, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না।

এদিকে, একই বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করার কথাও বলেছেন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে হামাসকে ‘প্রকৃত অর্থে’ নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

তার ভাষায়, হামাস সত্যিকার অর্থে নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) গাজা থেকে কোনো সেনা প্রত্যাহার করবে না। একই সঙ্গে ইসরায়েলি সেনা ও নাগরিকদের জন্য যে কোনো হুমকি মোকাবিলা অব্যাহত রাখবে আইডিএফ।

নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল ১৫ দফার নথিটি প্রত্যাখ্যান করছে। হামাস সত্যিকার অর্থে নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত আইডিএফ কোনো সেনা প্রত্যাহার করবে না এবং আমাদের সেনাবাহিনী ও নাগরিকদের জন্য হুমকি মোকাবিলা অব্যাহত রাখবে।

গাজা নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা হলেও নেতানিয়াহুর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, হামাসের অস্ত্র সমর্পণকে ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহারের প্রধান শর্ত হিসেবে দেখছে। ফলে গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও সেখানে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

অর্থাৎ ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকানো ও গাজায় হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ- দুই ক্ষেত্রেই নিজের সরকারের কঠোর অবস্থান বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের আগে হামাসের অস্ত্র সক্ষমতা পুরোপুরি শেষ করাকে শর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও আরব দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার লক্ষ্য থেকে সরে আসবে না ইসরায়েল।

সূত্র: এএফপি

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow