‘আমি বন্দি কারাগারে’ গানের শিল্পী মুজিব পরদেশী কারাগারে

জনপ্রিয় গান ‘আমি বন্দী কারাগারে’-এর শিল্পী, লোকসংগীতশিল্পী ও সুরকার মুজিব পরদেশীকে চেক ডিজঅনার মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ১০ লাখ টাকার একটি চেকের বিপরীতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় দায়ের হওয়া মামলায় আগে দেওয়া এক বছরের সাজা কার্যকরের অংশ হিসেবে তাকে আদালতে হাজির করা হলে এ আদেশ দেওয়া হয়। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আরও পড়ুন পাভেলের লিভিং রুম সেশানে মুজিব পরদেশীর ‘মন তোরে’ তিনি জানান, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত মুজিব পরদেশীকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হেলাল উদ্দিন বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা। শুনানির সময় মুজিব পরদেশীর পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন। আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়,

‘আমি বন্দি কারাগারে’ গানের শিল্পী মুজিব পরদেশী কারাগারে

জনপ্রিয় গান ‘আমি বন্দী কারাগারে’-এর শিল্পী, লোকসংগীতশিল্পী ও সুরকার মুজিব পরদেশীকে চেক ডিজঅনার মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১০ লাখ টাকার একটি চেকের বিপরীতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় দায়ের হওয়া মামলায় আগে দেওয়া এক বছরের সাজা কার্যকরের অংশ হিসেবে তাকে আদালতে হাজির করা হলে এ আদেশ দেওয়া হয়।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত মুজিব পরদেশীকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

হেলাল উদ্দিন বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা। শুনানির সময় মুজিব পরদেশীর পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন। আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১০ লাখ টাকার একটি চেক ডিজঅনারের অভিযোগে ২০২২ সালে ইদ্রিস আলী বিশ্বাস মাগুরার আদালতে মুজিব পরদেশীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার বিচার শেষে ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ মাগুরার দ্বিতীয় যুগ্ম দায়রা জজ মুহাম্মদ আনোয়ার ছাদাত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মুজিব পরদেশীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি চেকের সমপরিমাণ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করেন।

এমডিএএ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow