আরও ১১ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করেছে ডিএসই
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আরও ১১ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তাদের চাকরি অবসানের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
চাকরি হারানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন, জেনারেল অ্যাডমিন বিভাগের বিমল চন্দ্র, পপি, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ফেরদৌসী, আসমা, মুনজের, মোস্তাক, মনোয়ারা, মিলন, জসিম, সাজ্জাদ ও ফরিদ। তাদের পুরো নাম ও পদবি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জেনারেল অ্যাডমিন বিভাগের বিমল চন্দ্র কালবেলাকে চাকরি অবসানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ আগে আমাদের কিছু জানায়নি। আজ হঠাৎ ডেকে চাকরি অবসানের কথা জানানো হয়। শুনেছি, আমিসহ মোট ১১ জন এই তালিকায় আছেন।’
সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ফেরদৌসী কালবেলাকে বলেন, ‘আগের ১৭ জনকে চাকরিচ্যুত করার ধারাবাহিকতায় আমাদেরও আজ বাদ দেওয়া হয়েছে।’
চাকরি অবসানের কারণ জানতে ডিএসইর প্রকাশনা ও জনসংযোগ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক শফিকুর রহমানকে বার্তা দেওয়া হলেও তিনি কোনো বক্তব্য দেননি।
এর আগে জুন ও জুলাইয়ে ডিএসইর আরও ১৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি অবসান করা হয়। এবার এক দিনে আরও ১১ জনকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ায় ডিএসইর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈর
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আরও ১১ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তাদের চাকরি অবসানের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
চাকরি হারানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন, জেনারেল অ্যাডমিন বিভাগের বিমল চন্দ্র, পপি, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ফেরদৌসী, আসমা, মুনজের, মোস্তাক, মনোয়ারা, মিলন, জসিম, সাজ্জাদ ও ফরিদ। তাদের পুরো নাম ও পদবি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জেনারেল অ্যাডমিন বিভাগের বিমল চন্দ্র কালবেলাকে চাকরি অবসানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ আগে আমাদের কিছু জানায়নি। আজ হঠাৎ ডেকে চাকরি অবসানের কথা জানানো হয়। শুনেছি, আমিসহ মোট ১১ জন এই তালিকায় আছেন।’
সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ফেরদৌসী কালবেলাকে বলেন, ‘আগের ১৭ জনকে চাকরিচ্যুত করার ধারাবাহিকতায় আমাদেরও আজ বাদ দেওয়া হয়েছে।’
চাকরি অবসানের কারণ জানতে ডিএসইর প্রকাশনা ও জনসংযোগ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক শফিকুর রহমানকে বার্তা দেওয়া হলেও তিনি কোনো বক্তব্য দেননি।
এর আগে জুন ও জুলাইয়ে ডিএসইর আরও ১৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি অবসান করা হয়। এবার এক দিনে আরও ১১ জনকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ায় ডিএসইর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।