আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচের দায়িত্বে ৯৮০ হলুদ ও ২৫ লাল কার্ড দেখানো রেফারি

আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বের বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন মিসরের অভিজ্ঞ রেফারি আমিন মোহাম্মদ ওমর। আগামী সোমবার (২২ জুন) অনুষ্ঠিতব্য এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে তার সঙ্গে থাকবেন দুই সহকারী রেফারি এবং একজন চতুর্থ অফিশিয়াল, যাদের সবাইকে আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা মনোনীত করেছে। কঠোর ও শৃঙ্খলাপরায়ণ রেফারি হিসেবে পরিচিত আমিন মোহাম্মদ ওমর দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ম্যাচ পরিচালনা করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে ফিফার স্বীকৃত আন্তর্জাতিক রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ২০১৩ সাল থেকেই তিনি মিসরের প্রিমিয়ার লিগে নিয়মিত ম্যাচ পরিচালনা করছেন। মাঠে শান্ত ও দৃঢ়ভাবে খেলা নিয়ন্ত্রণের দক্ষতার কারণে তিনি ধীরে ধীরে বৈশ্বিক পর্যায়েও আস্থা অর্জন করেন। ২০১৯, ২০২১ এবং ২০২৩ সালের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের মতো বড় টুর্নামেন্টেও ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এ ছাড়া বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এবারই প্রথমবারের মতো মূল বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পেলেন এই মিসরীয় রেফারি। তার আন্তর্জাতিক অভিষেক ম্যাচে

আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচের দায়িত্বে ৯৮০ হলুদ ও ২৫ লাল কার্ড দেখানো রেফারি

আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বের বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন মিসরের অভিজ্ঞ রেফারি আমিন মোহাম্মদ ওমর। আগামী সোমবার (২২ জুন) অনুষ্ঠিতব্য এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে তার সঙ্গে থাকবেন দুই সহকারী রেফারি এবং একজন চতুর্থ অফিশিয়াল, যাদের সবাইকে আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা মনোনীত করেছে।

কঠোর ও শৃঙ্খলাপরায়ণ রেফারি হিসেবে পরিচিত আমিন মোহাম্মদ ওমর দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ম্যাচ পরিচালনা করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে ফিফার স্বীকৃত আন্তর্জাতিক রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ২০১৩ সাল থেকেই তিনি মিসরের প্রিমিয়ার লিগে নিয়মিত ম্যাচ পরিচালনা করছেন। মাঠে শান্ত ও দৃঢ়ভাবে খেলা নিয়ন্ত্রণের দক্ষতার কারণে তিনি ধীরে ধীরে বৈশ্বিক পর্যায়েও আস্থা অর্জন করেন।

২০১৯, ২০২১ এবং ২০২৩ সালের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের মতো বড় টুর্নামেন্টেও ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এ ছাড়া বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এবারই প্রথমবারের মতো মূল বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পেলেন এই মিসরীয় রেফারি।

তার আন্তর্জাতিক অভিষেক ম্যাচেই তিনি আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন। দক্ষিণ কোরিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যকার ম্যাচে থ্রো-ইনের ক্ষেত্রে দেরি হওয়ায় প্রথম রেফারি হিসেবে তিনি ‘৫ সেকেন্ডের সময়সীমা’ কার্যকর করে তাৎক্ষণিকভাবে কাউন্টডাউন শুরু করেন। কঠোর এই সিদ্ধান্ত মাঠে শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তার দৃষ্টিভঙ্গিকেই স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

অভিজ্ঞতা কম থাকা সত্ত্বেও বিশ্বকাপের মঞ্চে তার প্রথম ম্যাচে বড় কোনো ভুল বা বিতর্ক দেখা যায়নি। সেই ম্যাচে তিনি মাত্র একটি হলুদ কার্ড দেখান, আর পুরো ম্যাচেই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন দৃঢ়ভাবে।

মাঠের বাইরেও আমিন মোহাম্মদ ওমর একজন পেশাদার আইনজীবী। আইন পেশার সঙ্গে রেফারিংয়ের এই সমন্বয় তার ব্যক্তিত্বে শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতার ভাবকে আরও জোরদার করেছে বলে ফুটবল মহলে আলোচিত হয়।

এ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় তিনি মোট ২৬৯টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। এই সময়ে তিনি প্রায় ৯৮০টি হলুদ কার্ড এবং প্রায় ২৫টি লাল কার্ড দেখিয়েছেন। সৌদি প্রো লিগসহ বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ক্লাব ও ঘরোয়া প্রতিযোগিতার চাপপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

তবে গত বছর মিসরের ঘরোয়া ফুটবলে একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি বিতর্কের মুখে পড়েন। পিরামিডস এফসি তখন তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করে। ইসমাইলি এসসির বিপক্ষে ম্যাচে কোচ ক্রুনোস্লাভ জুরচিচকে লাল কার্ড দেখানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচে তার সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বদেশী মাহমুদ আবু এলরেগাল ও আহমেদ হোসাম তাহা। চতুর্থ অফিশিয়াল হিসেবে থাকবেন স্পেনের আলেহান্দ্রো হার্নান্দেজ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow