আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে স্পেন কোচের ‘একমাত্র ভয়’ কী নিয়ে?
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হাইভোল্টেজ বিশ্বকাপ ফাইনাল, অথচ স্পেনের ডাগআউটে যেন এক অদ্ভুত নির্ভারতা। দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে প্রতিপক্ষ নিয়ে মোটেও বিচলিত নন। তবে মাঠের বাইরের একটি নির্দিষ্ট বিষয় ঠিকই তার হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিচ্ছে; আর তা হলো টিম হোটেলে ফেরার মাধ্যম- হেলিকপ্টার!
সাবেক ছাত্র লিওনেল স্কালোনির দলের মুখোমুখি হওয়ার আগে স্পেন কোচ বেশ শান্ত মেজাজে রয়েছেন, মেতেছেন রসিকতাতেও। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের মতো মহাদাপুটে ম্যাচের চাপ মাথায় না নিয়ে, এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে স্রেফ উপভোগ করতে চান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে হেসে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, আমার এখন একটাই ভয় করছে, কারণ আমাদের হেলিকপ্টারে চড়ে টিম হোটেলে ফিরে যেতে হবে। আমরা হেলিকপ্টারে করেই এখানে এসেছিলাম। এই প্রেস কনফারেন্স শেষ হতেই আমাদের উড়াল দিতে হবে। এই আকাশযাত্রাটাই আসলে আমাকে একটু উদ্বিগ্ন করে তুলছে।
তবে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা নিয়ে কোনো বাড়তি চাপ অনুভব করছেন না জানিয়ে তিনি বলেন, হেলিকপ্টার ছাড়া আর কোনো কিছু নিয়ে আমার ভয় নেই। আমি একদম শান্ত আছি। আমরা এমন একটি দুর্দান্ত পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে পেরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছি।
দে লা
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হাইভোল্টেজ বিশ্বকাপ ফাইনাল, অথচ স্পেনের ডাগআউটে যেন এক অদ্ভুত নির্ভারতা। দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে প্রতিপক্ষ নিয়ে মোটেও বিচলিত নন। তবে মাঠের বাইরের একটি নির্দিষ্ট বিষয় ঠিকই তার হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিচ্ছে; আর তা হলো টিম হোটেলে ফেরার মাধ্যম- হেলিকপ্টার!
সাবেক ছাত্র লিওনেল স্কালোনির দলের মুখোমুখি হওয়ার আগে স্পেন কোচ বেশ শান্ত মেজাজে রয়েছেন, মেতেছেন রসিকতাতেও। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের মতো মহাদাপুটে ম্যাচের চাপ মাথায় না নিয়ে, এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে স্রেফ উপভোগ করতে চান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে হেসে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, আমার এখন একটাই ভয় করছে, কারণ আমাদের হেলিকপ্টারে চড়ে টিম হোটেলে ফিরে যেতে হবে। আমরা হেলিকপ্টারে করেই এখানে এসেছিলাম। এই প্রেস কনফারেন্স শেষ হতেই আমাদের উড়াল দিতে হবে। এই আকাশযাত্রাটাই আসলে আমাকে একটু উদ্বিগ্ন করে তুলছে।
তবে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা নিয়ে কোনো বাড়তি চাপ অনুভব করছেন না জানিয়ে তিনি বলেন, হেলিকপ্টার ছাড়া আর কোনো কিছু নিয়ে আমার ভয় নেই। আমি একদম শান্ত আছি। আমরা এমন একটি দুর্দান্ত পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে পেরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছি।
দে লা ফুয়েন্তের অধীনেই ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব মুকুট জিতেছিল স্পেন। এবার লা রোহাদের সামনে সুযোগ ২০১০ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা উঁচিয়ে ধরার। অন্যদিকে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা নামছে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বজয়ের মিশনে। ফুটবল দুনিয়ায় ‘রানার্সআপদের কেউ মনে রাখে না’- এমন প্রচলিত প্রবাদ মনে করিয়ে দিতেই কিছুটা নড়েচড়ে বসেন স্পেন কোচ।
শান্ত কণ্ঠে তিনি জানান, শিরোপার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে পারাটাই তার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।
দে লা ফুয়েন্তে বলেন, আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জয়ের মতো একটি অবস্থানে থাকা, ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছানো। আমি প্রতি বছর বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠে হেরে গেলেও খুশি হতাম। কারণ ফাইনালে পৌঁছানো এবং বিশ্বসেরা ট্রফির জন্য লড়াই করার সুযোগ পাওয়াটাই আসল কথা।