আলিফ হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গনেশকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কোতোয়ালী থানাধীন লালদীঘি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া গণেশ (১৯) কোতোয়ালী থানাধীন সেবক কলোনির বাসিন্দা এবং শরিফ দাশের ছেলে। র্যাব-৭ জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর আদালত এলাকায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরদিন নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রথমে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, তৎকালীন কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ মোট ৩৮ জনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানি শেষে আরও একজন যুক্ত করে মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিক এজাহারে থাকা তিনজ
চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গনেশকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কোতোয়ালী থানাধীন লালদীঘি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া গণেশ (১৯) কোতোয়ালী থানাধীন সেবক কলোনির বাসিন্দা এবং শরিফ দাশের ছেলে।
র্যাব-৭ জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর আদালত এলাকায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরদিন নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রথমে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, তৎকালীন কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ মোট ৩৮ জনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানি শেষে আরও একজন যুক্ত করে মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিক এজাহারে থাকা তিনজন গগন দাশ, বিশাল দাশ ও রাজকাপুর মেথরের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়। তবে তদন্তে নতুন করে আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে আসায় আসামির সংখ্যা বাড়ানো হয়।
র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামি গণেশের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নগরের লালদীঘি এলাকার জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে কোতোয়ালী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?