আ.লীগপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ নেতার ক্ষোভ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে সেবা না পাওয়া এবং অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ তুলেছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের কোনো কর্মী জেলে গেলে বা মামলা-মোকদ্দমায় পড়লে দলীয় আইনজীবীদের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহায়তা পাওয়া যায় না। বরং অনেক ক্ষেত্রে দ্বিগুণ পারিশ্রমিক দাবি করা হয়।
তিনি লিখেন, ‘দল ক্ষমতায় থাকাকালে যেসব আইনজীবী সুবিধা নিয়েছেন, এখন তাদের কাছে গেলে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। বরং তারা অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন।’
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘এই বৃহৎ রাজনৈতিক দলের এমন সমস্যা সমাধানে কেউ এগিয়ে আসে না। তৃণমূল কর্মীরাই সবসময় লড়াই করে, কিন্তু সুবিধাভোগীরা সুযোগ বুঝে আবার ফিরে আসে।’
ছাত্রলীগ নেতার এ পোস্টের মন্তব্য ঘরে অনেক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। মো. ইকরামুল ইসলাম লিখেছেন, ‘তারা সুযোগসন্ধানী ও বসন্তের কোকিল।’ আকাশ উদ্দিন শাহও একই ধরনের মন্তব্য করে তাদের ‘সুযোগসন্ধানী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
স্থানীয়
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে সেবা না পাওয়া এবং অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ তুলেছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের কোনো কর্মী জেলে গেলে বা মামলা-মোকদ্দমায় পড়লে দলীয় আইনজীবীদের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহায়তা পাওয়া যায় না। বরং অনেক ক্ষেত্রে দ্বিগুণ পারিশ্রমিক দাবি করা হয়।
তিনি লিখেন, ‘দল ক্ষমতায় থাকাকালে যেসব আইনজীবী সুবিধা নিয়েছেন, এখন তাদের কাছে গেলে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। বরং তারা অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন।’
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘এই বৃহৎ রাজনৈতিক দলের এমন সমস্যা সমাধানে কেউ এগিয়ে আসে না। তৃণমূল কর্মীরাই সবসময় লড়াই করে, কিন্তু সুবিধাভোগীরা সুযোগ বুঝে আবার ফিরে আসে।’
ছাত্রলীগ নেতার এ পোস্টের মন্তব্য ঘরে অনেক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। মো. ইকরামুল ইসলাম লিখেছেন, ‘তারা সুযোগসন্ধানী ও বসন্তের কোকিল।’ আকাশ উদ্দিন শাহও একই ধরনের মন্তব্য করে তাদের ‘সুযোগসন্ধানী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শ্রীধাম দাশগুপ্ত বলেন, ‘সে অনেক জেল-জুলুম সহ্য করেছে। হবিগঞ্জে হয়তো দলীয় আইনজীবীদের কাছে সেবা না পাওয়ার কষ্ট থেকেই এসব কথা বলছে।’
এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আতাউস সামাদ বাবু বলেন, ‘আমি নিজেই ভুক্তভোগী হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। দেশ ও দলের জন্য কাজ করেও আজ সংগ্রাম করতে হচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।
উল্লেখ্য, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা আতাউস সামাদ বাবু সম্প্রতি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনায় রয়েছেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়া, বৈশাখী আয়োজনে যুবদল নেতার সঙ্গে অংশগ্রহণ, মাদকের বিরুদ্ধে সাহসী বক্তব্য, এনসিপি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য এবং ব্যারিস্টার সুমনের মুক্তির দাবিসহ নানা বিষয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।