আ’লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে আইনজীবীদের আবেদন

আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে কক্সবাজারের ১৭৩ জন আইনজীবী সম্মিলিতভাবে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ে আবেদন জানিয়েছেন। ২২ এপ্রিল আবেদন দেওয়া হলেও সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিষয়টি ফলাওভাবে প্রচার পায়। কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত আওয়ামীপন্থি নেতারা এ আবেদনের সত্যতা নিশ্চিত করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল ‌‘গণতান্ত্রিক বহুত্ববাদ ও সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ এবং মৌলিক অধিকার পরিপন্থি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে কক্সবাজার জেলা সম্মিলিত আইনজীবীদের বিবৃতি’ শিরোনামে ১৭৩ জন আইনজীবী স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২২ এপ্রিল ঢাকায় অবস্থিত সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের প্রধানের কাছে একই দাবিতে স্বাক্ষরিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে আইনজীবীরা বলেন, জাতীয় সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) বিল ২০২৬’ অসাংবিধানিক এবং এটি দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর আঘাত হেনেছে। তাদের দাবি, যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ ও ন্যাচারাল জাস্টিসের নীত

আ’লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে আইনজীবীদের আবেদন

আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে কক্সবাজারের ১৭৩ জন আইনজীবী সম্মিলিতভাবে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ে আবেদন জানিয়েছেন।

২২ এপ্রিল আবেদন দেওয়া হলেও সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিষয়টি ফলাওভাবে প্রচার পায়। কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত আওয়ামীপন্থি নেতারা এ আবেদনের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল ‌‘গণতান্ত্রিক বহুত্ববাদ ও সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ এবং মৌলিক অধিকার পরিপন্থি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে কক্সবাজার জেলা সম্মিলিত আইনজীবীদের বিবৃতি’ শিরোনামে ১৭৩ জন আইনজীবী স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২২ এপ্রিল ঢাকায় অবস্থিত সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের প্রধানের কাছে একই দাবিতে স্বাক্ষরিত আবেদন জমা দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে আইনজীবীরা বলেন, জাতীয় সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) বিল ২০২৬’ অসাংবিধানিক এবং এটি দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর আঘাত হেনেছে। তাদের দাবি, যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ ও ন্যাচারাল জাস্টিসের নীতির পরিপন্থি।

আইনজীবীরা আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল কভিন্যান্ট অন সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটসের স্বাক্ষরকারী দেশ। তাদের মতে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক এই অঙ্গীকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে বলা হয়, দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলে তা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তৈরি হতে পারে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় ঝুঁকি।

আবেদনে আইনজীবীরা বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত; প্রশাসনিক বা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা সমীচীন নয়।

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow