আলোচনার আগেই ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের
জেনেভায় আসন্ন পারমাণবিক আলোচনার আগে ইরানের জন্য কঠোর অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, ইরানকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হবে না। হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা তা তৈরির সক্ষমতা ধরে রাখতে দেবেন না। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট— ইরানের জন্য শূন্য সমৃদ্ধকরণই শর্ত। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ইরানকে ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়ে ‘অর্থবহ চুক্তি’তে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে তার পরিণতি খারাপ হতে পারে। তবে ইরান নিজেদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সম্ভাব্য সামরিক বিকল্পও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
জেনেভায় আসন্ন পারমাণবিক আলোচনার আগে ইরানের জন্য কঠোর অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, ইরানকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা তা তৈরির সক্ষমতা ধরে রাখতে দেবেন না। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট— ইরানের জন্য শূন্য সমৃদ্ধকরণই শর্ত।
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ইরানকে ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়ে ‘অর্থবহ চুক্তি’তে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে তার পরিণতি খারাপ হতে পারে। তবে ইরান নিজেদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সম্ভাব্য সামরিক বিকল্পও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
What's Your Reaction?