আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে যুবকের কব্জি বিছিন্ন
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে রনি (২০) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে আশুলিয়া থানার ভাদাইল পাবনারটেক পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আহত রনি পাবনারটেক পশ্চিমপাড়ার ইমরানের বাড়ির নিচতলায় বসবাস করতেন এবং দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে ওই বাড়ি ও গরুর খামারের কেয়ার টেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম রিপন এবং মায়ের নাম নার্গিস বেগম। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, ঘটনার সময় রনি বাসায় একা ছিলেন। এ সময় তিনি ককটেল তৈরির চেষ্টা করলে সেটি বিস্ফোরিত হয় এবং তিনি গুরুতর আহত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় রনির বাম হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার জামগড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) রাশেদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে রনি (২০) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে আশুলিয়া থানার ভাদাইল পাবনারটেক পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আহত রনি পাবনারটেক পশ্চিমপাড়ার ইমরানের বাড়ির নিচতলায় বসবাস করতেন এবং দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে ওই বাড়ি ও গরুর খামারের কেয়ার টেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম রিপন এবং মায়ের নাম নার্গিস বেগম।
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, ঘটনার সময় রনি বাসায় একা ছিলেন। এ সময় তিনি ককটেল তৈরির চেষ্টা করলে সেটি বিস্ফোরিত হয় এবং তিনি গুরুতর আহত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় রনির বাম হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন।
বিস্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার জামগড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) রাশেদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
পুলিশ আরও জানায়, বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
What's Your Reaction?