আসলে কী হয়েছিল বাঞ্ছারামপুরের ইউএনওর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা আর নেই। বুধবার ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার ফেরদৌস আরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় অংশ নেন। পরদিন সোমবার তিনি কর্মস্থলে যোগ দেন। ওই দিন হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং বুধবার সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, ফেরদৌস আরা দীর্ঘদিন ধরে মাইগ্রেনজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। মাইগ্রেনের তীব্র ব্যথা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ফেরদৌস আরা ৩৬তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা ছিলেন। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তার বা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা আর নেই। বুধবার ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার ফেরদৌস আরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় অংশ নেন। পরদিন সোমবার তিনি কর্মস্থলে যোগ দেন। ওই দিন হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং বুধবার সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, ফেরদৌস আরা দীর্ঘদিন ধরে মাইগ্রেনজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। মাইগ্রেনের তীব্র ব্যথা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
ফেরদৌস আরা ৩৬তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা ছিলেন। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তার বাবার বাড়ি ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার শেখদী এলাকায় এবং শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায়।
তার অকাল মৃত্যুতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসনসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
What's Your Reaction?