আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: আপিলের পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার 

আওয়ামী লীগ নেতা ও গাজীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার ঘটনায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদনের ওপর চতুর্থ দিনের মতো শুনানি শেষ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।  বুধবার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।  আজ আপিলের বিষয়ে  চতুর্থ দিনের মতো শুনানি শেষ করা হয়েছে। আদালতে আজ আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, গত ২৮ জুলাই শুনানি শুরু হয়েছে। এরপর ২ ও ১১ আগস্ট শুনানি হয়।  আরও পড়ুন আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: আপিল বিভাগে চতুর্থ দিনের শুনানি আজ মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিকনেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের সময় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তাকে। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার রায়

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: আপিলের পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার 

আওয়ামী লীগ নেতা ও গাজীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার ঘটনায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদনের ওপর চতুর্থ দিনের মতো শুনানি শেষ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। 

বুধবার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।  আজ আপিলের বিষয়ে  চতুর্থ দিনের মতো শুনানি শেষ করা হয়েছে। আদালতে আজ আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, গত ২৮ জুলাই শুনানি শুরু হয়েছে। এরপর ২ ও ১১ আগস্ট শুনানি হয়। 

মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিকনেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের সময় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তাকে।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার রায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায়ে মামলার আসামি বিএনপির নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন মারা যান।

২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও জেল আপিল হাইকোর্টে আসে। একই সঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্টের বিচারপতি (পরে প্রধান বিচারপতি) ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায় ঘোষণা দেন। রায়ে ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন বহাল রাখেন। আর সাজা কমেছে সাতজনের। খালাস পেয়েছেন ১১ জন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দিপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহিদুল ইসলাম শিপু (৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান), হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ ও সোহাগ ওরফে সরু। রায়ে টিপু ও নুরুল আমিনের যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল থাকে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনের দণ্ড কমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আসামিরা হলেন মোহাম্মদ আলী, সৈয়দ আহমেদ, হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে শানু, রতন মিয়া ওরফে বড় রতন মিয়া, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম ও মশিউর রহমান ওরফে মনু।

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছেন আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড়ো জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান ও দুলাল মিয়া।

এফএইচ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow