আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত না মৃত, যা জানাল ফ্যাক্ট চেক
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অতর্কিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো মৃত্যুর এ খবর নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ‘জীবিত’ থাকার দাবি করে কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, খামেনির সাহারা মরুভূমিতে অবস্থানের দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দাবি করা হয়, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত আছেন। বর্তমানে তিনি সাহারা মরুভূমিতে অবস্থান করছেন।
এ বিষয়ে ফ্যাক্ট চেক বা তথ্য যাচাইয়ে দেখা গেছে, ওই ছবিটি বর্তমান সময়ের নয়; এটি ২০১৪ সালের একটি পুরোনো ছবি। বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে এই ছবির কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো নির্ভরযোগ্য ভিডিও বা প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণও এই দাবির সপক্ষে পাওয়া যায়নি। ফলে বিশেষজ্ঞরা এটিকে নিছক ‘অপপ্রচার’ বা 'মিসইনফরমেশন' হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, ‘চীন সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে, উত্তেজনা আরও বৃ
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অতর্কিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো মৃত্যুর এ খবর নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ‘জীবিত’ থাকার দাবি করে কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, খামেনির সাহারা মরুভূমিতে অবস্থানের দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দাবি করা হয়, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত আছেন। বর্তমানে তিনি সাহারা মরুভূমিতে অবস্থান করছেন।
এ বিষয়ে ফ্যাক্ট চেক বা তথ্য যাচাইয়ে দেখা গেছে, ওই ছবিটি বর্তমান সময়ের নয়; এটি ২০১৪ সালের একটি পুরোনো ছবি। বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে এই ছবির কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো নির্ভরযোগ্য ভিডিও বা প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণও এই দাবির সপক্ষে পাওয়া যায়নি। ফলে বিশেষজ্ঞরা এটিকে নিছক ‘অপপ্রচার’ বা 'মিসইনফরমেশন' হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, ‘চীন সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে, উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি এড়াতে, হরমুজ প্রণালির নৌপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আরো বড় প্রভাব পড়া প্রতিরোধ করতে আহ্বান জানাচ্ছে।’
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাও নিং বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ... চীন তার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’
চীন ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা, যার বেশির ভাগই এই প্রণালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই প্রণালির মধ্য দিয়ে যায়। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্যও এ পথে পরিবাহিত হয়।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের বিপ্লবী গার্ড প্রণালিটি বন্ধ ঘোষণা করে, যার ফলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন সংস্থা এ নৌপথে চলাচল স্থগিত করে।