ইইউ-ইসরায়েলের বিদ্যমান সহযোগিতা চুক্তি বাতিলের আহ্বান স্পেনের
ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ইসরায়েলের সঙ্গে বিদ্যমান সব সহযোগিতা চুক্তি বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো শানচেজ। রোববার (১৯ এপ্রিল) আন্দালুসিয়ায় এক সমাবেশে তিনি বলেন, যে সরকার আন্তর্জাতিক আইন বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, তারা অংশীদার হতে পারে না। তিনি জানান, আগামী মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) লুক্সেমবার্গে অনুষ্ঠিত ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব উত্থাপন করবে স্পেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু-এর বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে ইসরায়েলের অন্যতম কঠোর সমালোচক হিসেবে উঠে আসা শানচেজ। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানে যৌথ হামলাকে ভয়াবহ ভুল বলে আখ্যা দেন। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দ্রুত বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই সংঘাত বৈশ্বিক তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি তৈরি করেছে। এদিকে স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইইউর শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কাল্লাস-এর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাধ্যমে ইইউর সঙ্গে করা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ইসরায়েলের সঙ্গে বিদ্যমান সব সহযোগিতা চুক্তি বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো শানচেজ।
রোববার (১৯ এপ্রিল) আন্দালুসিয়ায় এক সমাবেশে তিনি বলেন, যে সরকার আন্তর্জাতিক আইন বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, তারা অংশীদার হতে পারে না। তিনি জানান, আগামী মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) লুক্সেমবার্গে অনুষ্ঠিত ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব উত্থাপন করবে স্পেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু-এর বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে ইসরায়েলের অন্যতম কঠোর সমালোচক হিসেবে উঠে আসা শানচেজ। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানে যৌথ হামলাকে ভয়াবহ ভুল বলে আখ্যা দেন।
তিনি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দ্রুত বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই সংঘাত বৈশ্বিক তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি তৈরি করেছে।
এদিকে স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইইউর শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কাল্লাস-এর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাধ্যমে ইইউর সঙ্গে করা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করছে।
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রস্তাব দ্রুত কার্যকর হওয়া কঠিন, কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর ২৭টি সদস্য দেশের সর্বসম্মতি প্রয়োজন। জার্মানির নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপের বিরোধিতা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: পলিটিকো
কেএম
What's Your Reaction?