ইউআরসিতে ১১তম স্থান অর্জন করলো এমআইএসটির ‘টিম মঙ্গল বারোতা’
‘ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬’-এ বিশ্বব্যাপী ১১তম স্থান অর্জন করেছে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ‘টিম মঙ্গল বারোতা’। গত ২৭ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশনে এ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (২ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মার্স সোসাইটি কর্তৃক প্রতিবছর আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ইউনিভার্সিটি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা হিসেবে স্বীকৃত। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মঙ্গলগ্রহ অনুসন্ধানকারী রোভার নকশা ও নির্মাণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, যা একদিন মঙ্গল গ্রহের জন্য কর্মরত নভোচারীদের সহায়তা করতে সক্ষম হবে। বিশ্বের শতাধিক খ্যাতনামা ইউনিভার্সিটি টিমের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কঠোর বাছাইপর্ব সফলভাবে অতিক্রম করে টিম মঙ্গল বারোতা চূড়ান্ত পর্বে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করে। ইউটাহর মঙ্গলগ্রহ-সদৃশ দুর্গম মরুভূমি অঞ্চলে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিত
‘ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬’-এ বিশ্বব্যাপী ১১তম স্থান অর্জন করেছে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ‘টিম মঙ্গল বারোতা’। গত ২৭ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশনে এ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (২ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মার্স সোসাইটি কর্তৃক প্রতিবছর আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ইউনিভার্সিটি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা হিসেবে স্বীকৃত। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মঙ্গলগ্রহ অনুসন্ধানকারী রোভার নকশা ও নির্মাণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, যা একদিন মঙ্গল গ্রহের জন্য কর্মরত নভোচারীদের সহায়তা করতে সক্ষম হবে।
বিশ্বের শতাধিক খ্যাতনামা ইউনিভার্সিটি টিমের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কঠোর বাছাইপর্ব সফলভাবে অতিক্রম করে টিম মঙ্গল বারোতা চূড়ান্ত পর্বে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করে। ইউটাহর মঙ্গলগ্রহ-সদৃশ দুর্গম মরুভূমি অঞ্চলে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি দলটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩৫টি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দলের সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর উল্লেখ করে, এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জন শুধু এমআইএসটির জন্যই নয়, সমগ্র বাংলাদেশের জন্যও অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের উন্নত রোবোটিক্স, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং মহাকাশ প্রকৌশল ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা ও সম্ভাবনার উজ্জ্বল প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
টিটি/এমএমকে
What's Your Reaction?