ইউএনওর সহায়তায় শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষা দিলো সেই বিথী

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিথী আক্তার নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ডান হাত হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার আপন চাচার বিরুদ্ধে। তবে হাত ভেঙে গেলেও দমে যায়নি বিথী। একজন শ্রুতিলেখকের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সে। পারিবার জানায়, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বিথীর ওপর নৃশংস হামলা চালান তার আপন চাচা। এতে বিথীর ডান হাত গুরুতর জখম ও ভেঙে যায়। ডান হাতে লিখতে অক্ষম হয়ে পড়ায় বিথীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। বিথী তোফেল আকন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিথীর অবস্থার কথা জানতে পেরে এগিয়ে আসেন মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার। তিনি বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে বিশেষ আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম আক্তারকে শ্রুতিলেখক হিসেবে নিয়োগের অনুমতি দেন। বৃহস্পতিবার(২৩ এপ্রিল) বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় শ্রুতিলেখকের মাধ্যমে অংশ নিয়েছে বিথী। শারীরিক যন্ত্রণা থাকলেও পরীক্ষায় বসতে পেরে বিথী ও তার পরিবার প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বা

ইউএনওর সহায়তায় শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষা দিলো সেই বিথী

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিথী আক্তার নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ডান হাত হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার আপন চাচার বিরুদ্ধে। তবে হাত ভেঙে গেলেও দমে যায়নি বিথী। একজন শ্রুতিলেখকের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সে।

পারিবার জানায়, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বিথীর ওপর নৃশংস হামলা চালান তার আপন চাচা। এতে বিথীর ডান হাত গুরুতর জখম ও ভেঙে যায়। ডান হাতে লিখতে অক্ষম হয়ে পড়ায় বিথীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। বিথী তোফেল আকন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিথীর অবস্থার কথা জানতে পেরে এগিয়ে আসেন মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার। তিনি বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে বিশেষ আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম আক্তারকে শ্রুতিলেখক হিসেবে নিয়োগের অনুমতি দেন।

বৃহস্পতিবার(২৩ এপ্রিল) বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় শ্রুতিলেখকের মাধ্যমে অংশ নিয়েছে বিথী। শারীরিক যন্ত্রণা থাকলেও পরীক্ষায় বসতে পেরে বিথী ও তার পরিবার প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার জানান, পরীক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছি। মেয়েটির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সে যেন কোনোভাবেই তার শিক্ষাজীবন থেকে ঝড়ে না পড়ে, সেজন্য একজন শ্রুতলেখক দেওয়ার প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে।

মো. তরিকুল ইসলাম/এএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow