ইউক্রেনের রেলস্টেশনে হামলা চালাল রাশিয়া
ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও রেল অবকাঠামোয় নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে রাশিয়া। শুক্রবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির বাহিনী দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত ইউক্রেনের ইজমাইল বন্দরের একটি রেলস্টেশন এবং মাইকোলাইভের কাছে দুটি নৌযানে হামলা চালিয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইজমাইলের রেলস্টেশনটি ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য সামরিক সরঞ্জাম ও জ্বালানি মজুত, লোড এবং পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, মাইকোলাইভ উপকূলের কাছে দুটি টাগবোটে হামলা চালানো হয়েছে। এসব নৌযান অস্ত্র বহনকারী কার্গো জাহাজকে ইউক্রেনীয় বন্দরের দিকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করছিল বলে রাশিয়ার দাবি। এর একদিন আগে ইজমাইল বন্দরের অবকাঠামোয় রুশ হামলায় ক্ষয়ক্ষতি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। রোমানিয়া সীমান্তের কাছে দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত ইজমাইল ইউক্রেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি বন্দর। এদিকে, রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, একই সময়ে ইউক্রেনীয় ড্রোনও রাশিয়ার ভেতরে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে বাল্টিক সাগরসংলগ্ন একটি তেল
ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও রেল অবকাঠামোয় নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে রাশিয়া। শুক্রবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির বাহিনী দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত ইউক্রেনের ইজমাইল বন্দরের একটি রেলস্টেশন এবং মাইকোলাইভের কাছে দুটি নৌযানে হামলা চালিয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইজমাইলের রেলস্টেশনটি ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য সামরিক সরঞ্জাম ও জ্বালানি মজুত, লোড এবং পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, মাইকোলাইভ উপকূলের কাছে দুটি টাগবোটে হামলা চালানো হয়েছে। এসব নৌযান অস্ত্র বহনকারী কার্গো জাহাজকে ইউক্রেনীয় বন্দরের দিকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করছিল বলে রাশিয়ার দাবি।
এর একদিন আগে ইজমাইল বন্দরের অবকাঠামোয় রুশ হামলায় ক্ষয়ক্ষতি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। রোমানিয়া সীমান্তের কাছে দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত ইজমাইল ইউক্রেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি বন্দর।
এদিকে, রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, একই সময়ে ইউক্রেনীয় ড্রোনও রাশিয়ার ভেতরে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে বাল্টিক সাগরসংলগ্ন একটি তেল রপ্তানি কেন্দ্র এবং মস্কোর কাছে একটি গুদামও রয়েছে।
দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই ইউক্রেনের বন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামোকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। হামলায় সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের বিষয়ে দুপক্ষই উদ্বিগ্ন।
What's Your Reaction?