ইউটিউব দেখে শুরু, তারাগঞ্জে কফি চাষে সফল মোখলেছুর

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় সমতল ভূমিতে কফি চাষ করে সফলতার নজির গড়েছেন উদ্যোক্তা মোখলেছুর রহমান। উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামে গড়ে তোলা তার কফি বাগান এখন স্থানীয়ভাবে বেশ পরিচিতি পেয়েছে। প্রায় সাত বছর আগে ইউটিউবে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঢালু জমিতে কফি চাষের একটি প্রতিবেদন দেখে অনুপ্রাণিত হন মোখলেছুর। এরপর ঢাকায় চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে কফি চাষ শুরু করেন। শখের উদ্যোগ হিসেবে শুরু হলেও পাঁচ বছরের মধ্যেই তিনি আর্থিকভাবে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে কফি চাষ ও চারা বিক্রি করে তিনি লাখ লাখ টাকা আয় করছেন। ২০১৭ সালে কক্সবাজারের একটি এগ্রো ফার্ম থেকে চারা এনে রংপুরের তারাগঞ্জের গোয়ালবাড়ি গ্রামে নিজের বাড়ির পাশে ২০ শতক জমিতে ৪৫০টি অ্যারাবিকা কফি গাছ লাগান উদ্যোক্তা মোখলেছুর রহমান। ভবিষ্যতে তারাগঞ্জে একটি আধুনিক কফি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান তৈরি ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখাই মোখলেছুর স্বপ্ন। স্থানীয়রা জানান, মোখলেছুরের কফি বাগানে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ চারা কিনতে ও বাগান দেখতে আসেন। বাগানের পাশে কফি চারার জন্য আলাদা একটি নার্সারিও গড়ে তুলেছেন তিনি। মোখলেছ

ইউটিউব দেখে শুরু, তারাগঞ্জে কফি চাষে সফল মোখলেছুর
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় সমতল ভূমিতে কফি চাষ করে সফলতার নজির গড়েছেন উদ্যোক্তা মোখলেছুর রহমান। উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামে গড়ে তোলা তার কফি বাগান এখন স্থানীয়ভাবে বেশ পরিচিতি পেয়েছে। প্রায় সাত বছর আগে ইউটিউবে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঢালু জমিতে কফি চাষের একটি প্রতিবেদন দেখে অনুপ্রাণিত হন মোখলেছুর। এরপর ঢাকায় চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে কফি চাষ শুরু করেন। শখের উদ্যোগ হিসেবে শুরু হলেও পাঁচ বছরের মধ্যেই তিনি আর্থিকভাবে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে কফি চাষ ও চারা বিক্রি করে তিনি লাখ লাখ টাকা আয় করছেন। ২০১৭ সালে কক্সবাজারের একটি এগ্রো ফার্ম থেকে চারা এনে রংপুরের তারাগঞ্জের গোয়ালবাড়ি গ্রামে নিজের বাড়ির পাশে ২০ শতক জমিতে ৪৫০টি অ্যারাবিকা কফি গাছ লাগান উদ্যোক্তা মোখলেছুর রহমান। ভবিষ্যতে তারাগঞ্জে একটি আধুনিক কফি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান তৈরি ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখাই মোখলেছুর স্বপ্ন। স্থানীয়রা জানান, মোখলেছুরের কফি বাগানে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ চারা কিনতে ও বাগান দেখতে আসেন। বাগানের পাশে কফি চারার জন্য আলাদা একটি নার্সারিও গড়ে তুলেছেন তিনি। মোখলেছুর রহমান জানান, তার উদ্যোগে ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, বগুড়া, রাজশাহী, খুলনা ও ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ৫২টি কফি বাগান গড়ে উঠেছে। কফি বিক্রি থেকে তার বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩০ লাখ টাকা। তিনি বাংলাদেশকে কফি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেখতে চান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রাণী রায় বলেন, বাংলাদেশে কফি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল। সমতলে এটি এখনও অপ্রচলিত হলেও উন্নত চারা, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা পেলে পাহাড়ি এলাকার মতো সমতলেও কফি চাষে সফলতা পাওয়া সম্ভব।  তিনি আরও জানান, সরকারি প্রকল্প না থাকলেও কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে মোখলেছুরকে পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রকল্প চালু হলে আরও কৃষককে কফি চাষে উৎসাহিত করা হবে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow