ইউনিক গ্রুপের নূর আলীর বিরুদ্ধে সিআইডির ১১৫ কোটি টাকার মামলা

রাজধানীর বনানীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে অনিয়ম, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ইউনিক গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ নূর আলী এবং তার প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডি জানিয়েছে, অনুমোদনহীন ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করে তা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করেছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৮ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, এ ঘটনায় বনানী থানায় গত ৭ মে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি দায়ের করে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ। সিআইডির অনুসন্ধানে জানা যায়, বনানী এলাকায় ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও বোরাক রিয়েল এস্টেট চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। পরে সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শেরাটন’ চালু করা হয়। অভিযোগ রয়ে

ইউনিক গ্রুপের নূর আলীর বিরুদ্ধে সিআইডির ১১৫ কোটি টাকার মামলা

রাজধানীর বনানীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে অনিয়ম, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ইউনিক গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ নূর আলী এবং তার প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডি জানিয়েছে, অনুমোদনহীন ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করে তা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করেছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (৮ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, এ ঘটনায় বনানী থানায় গত ৭ মে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি দায়ের করে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ।

সিআইডির অনুসন্ধানে জানা যায়, বনানী এলাকায় ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও বোরাক রিয়েল এস্টেট চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। পরে সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শেরাটন’ চালু করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না করে এবং ডিএনসিসিকে প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করা হয়

সিআইডির অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র নেওয়া হয়নি। এতে ভবনের উচ্চতা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণে ঝুঁকি ও প্রতিবন্ধকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

সিআইডির এই কর্মকর্তা আরও জানান, অনুমোদনহীন ওই ভবনে পরিচালিত হোটেল ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থ বিভিন্ন মাধ্যমে স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে। তদন্তে বেদখলকৃত সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের পর লন্ডারকৃত অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ। অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটনে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

টিটি/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow