ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেল ইরানের ঐতিহাসিক আলামুত দুর্গ
ইরানের ঐতিহাসিক আলামুত দুর্গ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুর্গগুলোকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটির ৩০তম দৃশ্যমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি অর্জন করল। রোববার (২৬ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪৮তম অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পাওয়া ধারাবাহিক তালিকায় রয়েছে ৭টি ঐতিহাসিক দুর্গ ও প্রতিরক্ষা স্থাপনা। এগুলো হলো, আলামুত, লাম্বসার, নওইজার শাহ, শামস-কালায়ে, কাস্তিন-লার, শিরকুহ এবং ইলান দুর্গ। স্থাপনাগুলো পূর্ব ও পশ্চিম আলামুত উপত্যকা এবং আলবোরজ পর্বতমালার দক্ষিণ ঢালজুড়ে অবস্থিত। ইউনেস্কোর তথ্যমতে, ১১শ থেকে ১৩শ শতকের মধ্যে এসব দুর্গ এমনভাবে নির্মিত হয়েছিল, যাতে স্থানীয় ভূপ্রকৃতি, পানি ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগপথ, প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং স্থাপত্য পরিকল্পনার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। রাজনৈতিক ও সামরিক গুরুত্বের পাশাপাশি এসব দুর্গ সে সময় জ্ঞানচর্চার গুরুত্বপূর্ণ কেন্
ইরানের ঐতিহাসিক আলামুত দুর্গ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুর্গগুলোকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটির ৩০তম দৃশ্যমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি অর্জন করল।
রোববার (২৬ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪৮তম অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পাওয়া ধারাবাহিক তালিকায় রয়েছে ৭টি ঐতিহাসিক দুর্গ ও প্রতিরক্ষা স্থাপনা। এগুলো হলো, আলামুত, লাম্বসার, নওইজার শাহ, শামস-কালায়ে, কাস্তিন-লার, শিরকুহ এবং ইলান দুর্গ। স্থাপনাগুলো পূর্ব ও পশ্চিম আলামুত উপত্যকা এবং আলবোরজ পর্বতমালার দক্ষিণ ঢালজুড়ে অবস্থিত।
ইউনেস্কোর তথ্যমতে, ১১শ থেকে ১৩শ শতকের মধ্যে এসব দুর্গ এমনভাবে নির্মিত হয়েছিল, যাতে স্থানীয় ভূপ্রকৃতি, পানি ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগপথ, প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং স্থাপত্য পরিকল্পনার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।
রাজনৈতিক ও সামরিক গুরুত্বের পাশাপাশি এসব দুর্গ সে সময় জ্ঞানচর্চার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। ঐতিহাসিকভাবে এগুলোর সঙ্গে প্রখ্যাত পণ্ডিত খাজা নাসিরুদ্দিন তুসির নামও জড়িত।
What's Your Reaction?