ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুরের সালথায় আক্কাচ মাতুব্বর নামে এক ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মগ্ন হয়ে তিনি মাদক সেবন করছেন। এছাড়া তার এক ছেলের বিরুদ্ধেও মাদক ব্যবসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরের দিকে ইয়াবা সেবনের দৃশ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত মো. আক্কাচ মাতুব্বর সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও গৌড়দিয়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়ভাবে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। মাত্র ১২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বদ্ধ ঘরে খাটের উপর খালি গায়ে বসে আছেন। এসময় সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগুন জ্বালিয়ে ইয়াবা সেবন করছেন। তার সামনে বসে থাকা অজ্ঞাত এক ব্যক্তির পা দেখা যায়। তবে ভিডিওটি পুরনো দাবি করে ইউপি সদস্য ও অভিযুক্ত মো. আক্কাচ মাতুব্বর বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পার্শ্ববর্তী জেলা সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের হুগলাকান্দি এলাকায় আমাকে হয়রানি করা হয়েছিল। ওইদিন কয়েক ব্যক্তি আমাকে আটকে রেখে ইয়াবা হাতে দিয়ে সেবন করতে বাধ্য করে এবং তা ভিডিও করে রেখেছিল। তবে কারা তাকে আটকে রেখে হয়রানি করেছিল তাদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হনন

ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুরের সালথায় আক্কাচ মাতুব্বর নামে এক ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মগ্ন হয়ে তিনি মাদক সেবন করছেন। এছাড়া তার এক ছেলের বিরুদ্ধেও মাদক ব্যবসার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরের দিকে ইয়াবা সেবনের দৃশ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত মো. আক্কাচ মাতুব্বর সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও গৌড়দিয়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়ভাবে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

মাত্র ১২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বদ্ধ ঘরে খাটের উপর খালি গায়ে বসে আছেন। এসময় সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগুন জ্বালিয়ে ইয়াবা সেবন করছেন। তার সামনে বসে থাকা অজ্ঞাত এক ব্যক্তির পা দেখা যায়।

তবে ভিডিওটি পুরনো দাবি করে ইউপি সদস্য ও অভিযুক্ত মো. আক্কাচ মাতুব্বর বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পার্শ্ববর্তী জেলা সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের হুগলাকান্দি এলাকায় আমাকে হয়রানি করা হয়েছিল। ওইদিন কয়েক ব্যক্তি আমাকে আটকে রেখে ইয়াবা হাতে দিয়ে সেবন করতে বাধ্য করে এবং তা ভিডিও করে রেখেছিল। তবে কারা তাকে আটকে রেখে হয়রানি করেছিল তাদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।’

এদিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ওই ইউপি সদস্য নিয়মিত মাদক সেবন করেন। এছাড়া তার ছোট ছেলে রাসেল মাতুব্বর এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তারা জনপ্রতিনিধি হয়ে যদি ইয়াবার মতো ভয়াবহ মাদককাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে আমাদের সমাজকে কারা রক্ষা করবে। আমি প্রশাসনের কাছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।’

ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে জানতে চাইলে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বরত প্যানেল চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমি ভিডিওটি দেখিনি। এছাড়া এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন তিনি।’

এ বিষয়টি নিয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, ‘ভিডিওটি দেখেছি। ইতোমধ্যেই তাকে শোকজ করা হয়েছে। এছাড়া ঊর্ধ্বতনদের অবগত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়ে ও তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এন কে বি নয়ন/কেজে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow