ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
খাগড়াছড়িতে নিউটন চাকমা ওরফে নির্মল নামে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট- ইউপিডিএফ’র (প্রসীত খীসা) এক সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-কে দায়ী করেছেন ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদরের খাগড়াছড়ি ইউনিয়নের আকবাড়ি এলাকায় একটি দোকানের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নিউটন চাকমা ওরফে নির্মল (৪৭) রাঙামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের গবঘোনা গ্রামের মৃত সোনাধন চাকমার ছেলে। তিনি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রতিপক্ষ ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-কে দায়ী করে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ’র (প্রসীত খীসা) মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, বুধবার সকালের দিকে নিউটন চাকমাসহ দুজন সদস্য সাংগঠনিক কাজে আকবাড়ি এলাকায় অবস্থানকালে মোটরসাইকেলে আসা ৮ জনের একটি সশস্ত্র দল তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় একজন পালিয়ে প্রাণে বাঁচলেও নিউটন চাকমা গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
তবে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের কেন্দ্রীয় সংগঠক অমর জ্যোতি চাকমা ঘটনার সঙ্গে দলের সম্পৃক
খাগড়াছড়িতে নিউটন চাকমা ওরফে নির্মল নামে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট- ইউপিডিএফ’র (প্রসীত খীসা) এক সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-কে দায়ী করেছেন ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদরের খাগড়াছড়ি ইউনিয়নের আকবাড়ি এলাকায় একটি দোকানের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নিউটন চাকমা ওরফে নির্মল (৪৭) রাঙামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের গবঘোনা গ্রামের মৃত সোনাধন চাকমার ছেলে। তিনি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রতিপক্ষ ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-কে দায়ী করে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ’র (প্রসীত খীসা) মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, বুধবার সকালের দিকে নিউটন চাকমাসহ দুজন সদস্য সাংগঠনিক কাজে আকবাড়ি এলাকায় অবস্থানকালে মোটরসাইকেলে আসা ৮ জনের একটি সশস্ত্র দল তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় একজন পালিয়ে প্রাণে বাঁচলেও নিউটন চাকমা গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
তবে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের কেন্দ্রীয় সংগঠক অমর জ্যোতি চাকমা ঘটনার সঙ্গে দলের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি তাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফল হতে পারে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি মো. কায় কিসলু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠাবে। তদন্তের মাধ্যমে হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করা হবে।