ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে বিরতির ইঙ্গিত ইরানের
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আস্থা গড়ে তুলতে উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির সাবেক কৌশলগত বিষয়ক উপ-সহসভাপতি সাসান কারিমি। বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুতে ইরানের কিছুটা কৌশলগত সুবিধা রয়েছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি অভিন্ন অবস্থান আছে। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না, এটি তেহরান সাময়িকভাবে মেনে নিতে পারে। কারিমি বলেন, ইরান আস্থা গড়তে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের পথ তৈরি করতে উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কিছু সময়ের জন্য স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিতে পারে। তবে এটি বিনামূল্যে হবে না। এর বিনিময়ে বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন ছাড় দিতে হবে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো আলোচনার টেবিলে তোলা যাবে না, বিশেষ করে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে। তার ভাষ্য, বিশ্বের অন্য যে কোনো স্বাভাবিক দেশের মতোই ইরানেরও প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা থাকা উচিত, যাতে প্রয়োজন হলে পাল্টা জবাব দিতে পারে। এদিকে পারমাণবিক চুক্তি ন
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আস্থা গড়ে তুলতে উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির সাবেক কৌশলগত বিষয়ক উপ-সহসভাপতি সাসান কারিমি।
বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুতে ইরানের কিছুটা কৌশলগত সুবিধা রয়েছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি অভিন্ন অবস্থান আছে। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না, এটি তেহরান সাময়িকভাবে মেনে নিতে পারে।
কারিমি বলেন, ইরান আস্থা গড়তে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের পথ তৈরি করতে উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কিছু সময়ের জন্য স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিতে পারে। তবে এটি বিনামূল্যে হবে না। এর বিনিময়ে বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন ছাড় দিতে হবে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো আলোচনার টেবিলে তোলা যাবে না, বিশেষ করে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে।
তার ভাষ্য, বিশ্বের অন্য যে কোনো স্বাভাবিক দেশের মতোই ইরানেরও প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা থাকা উচিত, যাতে প্রয়োজন হলে পাল্টা জবাব দিতে পারে।
এদিকে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে তৃতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। প্রথম দফার রুদ্ধশ্বাস আলোচনা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় দফার অপেক্ষায় রয়েছেন নেতারা। তবে এ আলোচনার আগেই ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা জেনেভায় নির্ধারিত পারমাণবিক আলোচনার আগে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় শুরু করার অভিযোগ তোলেন।
What's Your Reaction?