ইকরার আত্মহত্যার পর আলভীকে নিয়ে ধোঁয়াশা
স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অভিযুক্ত ছোটপর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর অবস্থান নিয়ে এখন চরম রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার নেপাল থেকে তার দেশে ফেরার গুঞ্জন ছড়ালেও এখন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি পুলিশও নিশ্চিত করতে পারছে না এই অভিনেতা বর্তমানে ঠিক কোথায় আত্মগোপনে রয়েছেন। ইকরার মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এরই মধ্যে পল্লবী থানায় একটি আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার বাদী হয়েছেন ইকরার বড় মামা শেখ তানভীর আহমেদ। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে স্বামী জাহের আলভী এবং তার মা অর্থাৎ ইকরার শাশুড়ি নাসরিন সুলতানা শিউলিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “মামলা হয়েছে। তদন্ত চলমান। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।” তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত আসামি যেহেতু দেশের বাইরে ছিলেন, তাই দেশে আসামাত্রই যাতে তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা যায়, সে জন্য মামলার এজাহারের কপি ইতোমধ্যে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভিবাসন (ইমিগ্রেশন) পুলিশের কাছেও পাঠানো হ
স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অভিযুক্ত ছোটপর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর অবস্থান নিয়ে এখন চরম রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার নেপাল থেকে তার দেশে ফেরার গুঞ্জন ছড়ালেও এখন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি পুলিশও নিশ্চিত করতে পারছে না এই অভিনেতা বর্তমানে ঠিক কোথায় আত্মগোপনে রয়েছেন।
ইকরার মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এরই মধ্যে পল্লবী থানায় একটি আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার বাদী হয়েছেন ইকরার বড় মামা শেখ তানভীর আহমেদ। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে স্বামী জাহের আলভী এবং তার মা অর্থাৎ ইকরার শাশুড়ি নাসরিন সুলতানা শিউলিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “মামলা হয়েছে। তদন্ত চলমান। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত আসামি যেহেতু দেশের বাইরে ছিলেন, তাই দেশে আসামাত্রই যাতে তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা যায়, সে জন্য মামলার এজাহারের কপি ইতোমধ্যে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভিবাসন (ইমিগ্রেশন) পুলিশের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
আলভীর দেশে ফেরা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছেও স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আজিম আহমেদ বলেন, “একবার শুনি আলভী দেশে আসছে, একবার শুনি আসেনি। ধোঁয়াশা, ধোঁয়াশা। তবে আমাদের তদন্ত কার্যক্রম চলছে।”
অন্যদিকে, আলভী ও ইকরার ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র দাবি করেছে, রবিবার বিকেলেই নেপাল থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান যাহের আলভী। বিমানবন্দরে কিছু সময় অবস্থানের পর অজ্ঞাত একজনের সহায়তায় তিনি সেখান থেকে বের হয়ে যান বলে জানা গেছে। তবে এরপর থেকে তার ফোন নম্বর, ফেসবুকসহ সব ধরনের যোগাযোগমাধ্যম পুরোপুরি বন্ধ থাকায় তার দেশে ফেরা এবং বর্তমান অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
স্ত্রীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু এবং এরপর মামলা হওয়ার পরও আলভীর এমন রহস্যজনক আত্মগোপনে বিনোদন অঙ্গনেও সমালোচনা চলছে। বিনোদন অঙ্গনের ঘনিষ্ঠদের অনেকেই মনে করছেন, এভাবে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গা ঢাকা দিলে আলভীর পরিস্থিতি আইনিভাবে আরও জটিল হতে পারে। তাদের মতে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ইকরার মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল—সে বিষয়ে প্রকাশ্যে এসে তার স্পষ্ট বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
What's Your Reaction?