ইচ্ছে করেই কি ফাইনালে পেনাল্টি মিস করেছিলেন দিয়াজ?
আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) ফাইনাল শেষ হয়েছে, কিন্তু বিতর্ক থামেনি। বরং অতিরিক্ত সময়ের এক পেনাল্টি মিস পুরো ফুটবল বিশ্বকে দুই ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ব্রাহিম দিয়াজ কি সত্যিই গোল করতে পারেননি—নাকি ইচ্ছা করেই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছেন? এই প্রশ্ন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে ফুটবল বিশ্লেষকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে মরক্কো ও সেনেগালের শিরোপা লড়াই ছিল নাটকীয়তায় ভরা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে সমতা, তারপর ইনজুরি টাইমে এমন এক মুহূর্ত আসে—যা ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারত। ইনজুরি টাইমের ষষ্ঠ মিনিটে মরক্কো পেনাল্টি পায়। ১২ গজ দূর থেকে ব্রাহিম দিয়াজের পা থেকে আসতে পারত শিরোপা নিশ্চিত করা গোল। কিন্তু যা ঘটল, তা অবিশ্বাস্য। ব্রাহিম জোরালো শট না নিয়ে মাঝখানে হালকা ‘প্যানেনকা’ চেষ্টা করেন। সেনেগাল গোলরক্ষক এদুয়ার্দ মেন্ডি সহজেই তা ঠেকিয়ে দেন। সেই মুহূর্তেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বদলে যায়। পেনাল্টির ঠিক আগে সেনেগালের একটি গোল বিতর্কিতভাবে বাতিল করা হয়েছিল। এ নিয়ে মাঠে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়—এমনকি সেনেগাল কিছু সময়ের জন্য খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার হুমকিও
আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) ফাইনাল শেষ হয়েছে, কিন্তু বিতর্ক থামেনি। বরং অতিরিক্ত সময়ের এক পেনাল্টি মিস পুরো ফুটবল বিশ্বকে দুই ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ব্রাহিম দিয়াজ কি সত্যিই গোল করতে পারেননি—নাকি ইচ্ছা করেই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছেন? এই প্রশ্ন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে ফুটবল বিশ্লেষকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে মরক্কো ও সেনেগালের শিরোপা লড়াই ছিল নাটকীয়তায় ভরা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে সমতা, তারপর ইনজুরি টাইমে এমন এক মুহূর্ত আসে—যা ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারত। ইনজুরি টাইমের ষষ্ঠ মিনিটে মরক্কো পেনাল্টি পায়। ১২ গজ দূর থেকে ব্রাহিম দিয়াজের পা থেকে আসতে পারত শিরোপা নিশ্চিত করা গোল।
কিন্তু যা ঘটল, তা অবিশ্বাস্য। ব্রাহিম জোরালো শট না নিয়ে মাঝখানে হালকা ‘প্যানেনকা’ চেষ্টা করেন। সেনেগাল গোলরক্ষক এদুয়ার্দ মেন্ডি সহজেই তা ঠেকিয়ে দেন। সেই মুহূর্তেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বদলে যায়।
পেনাল্টির ঠিক আগে সেনেগালের একটি গোল বিতর্কিতভাবে বাতিল করা হয়েছিল। এ নিয়ে মাঠে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়—এমনকি সেনেগাল কিছু সময়ের জন্য খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার হুমকিও দেয়। এই প্রেক্ষাপটেই ব্রাহিমের পেনাল্টি মিসকে অনেকেই ‘স্পোর্টসম্যানশিপ’ বা নৈতিক অবস্থান হিসেবে দেখছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাংশ দাবি করছে, ব্রাহিম ইচ্ছাকৃতভাবেই গোল করেননি—কারণ তিনি মনে করেছিলেন, সেনেগাল অন্যায়ভাবে গোল থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আবার অনেকে বলছেন, এটি নিছক খারাপ সিদ্ধান্ত ও চাপের মুহূর্তের ব্যর্থতা।
পেনাল্টি মিসের পর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে, যেখানে সেনেগাল একমাত্র গোলটি করে শিরোপা নিশ্চিত করে। ফলে ব্রাহিমের সেই মুহূর্ত এখন ইতিহাসের অংশ—কিন্তু বিতর্ক হয়তো আরও দীর্ঘদিন চলবে।
ফুটবল মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে—এটা কি ভুল, নাকি পরিকল্পিত ‘ফেয়ার প্লে’?
What's Your Reaction?