ইতালিতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন
প্রবাসের মাটিতে পারিবারিক কলহের জেরে ঘটেছে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। ইতালির লেচ্চে শহরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুনের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে লেচ্চে শহরে বসবাসরত দুই প্রবাসী ভাই হুমায়ুন ফকির ও নয়ন ফকিরের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, তুচ্ছ এই বিরোধ দ্রুতই উত্তেজনায় রূপ নেয়। একপর্যায়ে বড় ভাই হুমায়ুন ফকির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছোট ভাই নয়ন ফকিরকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন নয়ন।
অভিযোগ রয়েছে, হত্যার পর হুমায়ুন ফকির ভিডিও কলের মাধ্যমে বাংলাদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং নিহত নয়নের রক্তাক্ত দেহ দেখিয়ে নিজেই হত্যার কথা স্বীকার করেন। প্রিয়জনের এমন দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইতালির পুলিশ অভিযুক্ত হুমায়ুন ফকিরকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
নিহত নয়ন ফকির ও অভিযুক্ত হুমায়ুন ফকির মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার সোনারং এলাকার বাসিন্দা। এই নৃশংস ঘটনায়
প্রবাসের মাটিতে পারিবারিক কলহের জেরে ঘটেছে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। ইতালির লেচ্চে শহরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুনের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে লেচ্চে শহরে বসবাসরত দুই প্রবাসী ভাই হুমায়ুন ফকির ও নয়ন ফকিরের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, তুচ্ছ এই বিরোধ দ্রুতই উত্তেজনায় রূপ নেয়। একপর্যায়ে বড় ভাই হুমায়ুন ফকির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছোট ভাই নয়ন ফকিরকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন নয়ন।
অভিযোগ রয়েছে, হত্যার পর হুমায়ুন ফকির ভিডিও কলের মাধ্যমে বাংলাদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং নিহত নয়নের রক্তাক্ত দেহ দেখিয়ে নিজেই হত্যার কথা স্বীকার করেন। প্রিয়জনের এমন দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইতালির পুলিশ অভিযুক্ত হুমায়ুন ফকিরকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
নিহত নয়ন ফকির ও অভিযুক্ত হুমায়ুন ফকির মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার সোনারং এলাকার বাসিন্দা। এই নৃশংস ঘটনায় ইতালিসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে। একই সঙ্গে নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয় কমিউনিটি নেতারা।