ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ভারতীয় রুপির দর

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর পাল্টা হামলা চালায় ইরান। এরপর থেকে চলছে পাল্টাপাল্টি হামলা। এর প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যসহ পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। চলমান যুদ্ধ ও জ্বালানি বাজারের এ অস্থিরতার প্রভাবে ভারতীয় রুপির দর ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে।  সোমবার (৩০ মার্চ) আন্তঃব্যাংক লেনদেনে মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপির দর সর্বনিম্ন ৯৫ দশমিক ২২-এ পৌঁছায়, যা এযাবৎকালের সর্বনিম্ন। পৃথক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি ও রয়টার্স। সোমবার দিনের শুরুতে কিছুটা শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও পরে সেই গতি ধরে রাখতে পারেনি রুপি। সকালে ৯৩ দশমিক ৬২ দরে লেনদেন শুরু করে তা ৯৩ দশমিক ৫৭ পর্যন্ত উন্নতি করলেও দ্রুতই পতন শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত দিনের মধ্যেই বড় ধস নেমে ৯৫ দশমিক ২২-এ পৌঁছে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, রুপির ওপর চাপ বাড়ার পেছনে কয়েকটি বড় কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং শক্তিশালী মার্কিন ডলার। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের চাহিদা বাড়ায় ডলার সূচক ১০০-এর ওপরে অবস্থান করছে, যা রুপির পুনরুদ্ধারকে কঠিন করে তুলছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তেলে

ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ভারতীয় রুপির দর

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর পাল্টা হামলা চালায় ইরান। এরপর থেকে চলছে পাল্টাপাল্টি হামলা। এর প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যসহ পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। চলমান যুদ্ধ ও জ্বালানি বাজারের এ অস্থিরতার প্রভাবে ভারতীয় রুপির দর ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। 

সোমবার (৩০ মার্চ) আন্তঃব্যাংক লেনদেনে মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপির দর সর্বনিম্ন ৯৫ দশমিক ২২-এ পৌঁছায়, যা এযাবৎকালের সর্বনিম্ন। পৃথক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি ও রয়টার্স।

সোমবার দিনের শুরুতে কিছুটা শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও পরে সেই গতি ধরে রাখতে পারেনি রুপি। সকালে ৯৩ দশমিক ৬২ দরে লেনদেন শুরু করে তা ৯৩ দশমিক ৫৭ পর্যন্ত উন্নতি করলেও দ্রুতই পতন শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত দিনের মধ্যেই বড় ধস নেমে ৯৫ দশমিক ২২-এ পৌঁছে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, রুপির ওপর চাপ বাড়ার পেছনে কয়েকটি বড় কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং শক্তিশালী মার্কিন ডলার। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের চাহিদা বাড়ায় ডলার সূচক ১০০-এর ওপরে অবস্থান করছে, যা রুপির পুনরুদ্ধারকে কঠিন করে তুলছে।

একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৫ ডলারে উঠেছে। এতে আমদানিনির্ভর অর্থনীতির দেশগুলোর মুদ্রার ওপর চাপ আরও বাড়ছে। এর প্রভাব পড়েছে ভারতের শেয়ারবাজারেও। 

সোমবার সেনসেক্স প্রায় ১ হাজার ৭০০ পয়েন্ট এবং নিফটি ৫০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও শেয়ারবাজার থেকে বড় অংকের বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow