ইনফান্তিনোকে সরাতে ঐক্যবদ্ধ উয়েফা ও ইউরোপীয় ক্লাবগুলো, শঙ্কায় ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন
ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা- উয়েফার সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন এবং ইউরোপিয়ান ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের (ইসিএ) চেয়ারম্যান নাসের আল খেলাইফি গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। অস্ট্রিয়ার সালজবার্গ শহরে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ও উয়েফার মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ‘টকস্পোর্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপের সঙ্গে জাতীয় দলগুলোকে যুক্ত করার ব্যাপারে উয়েফার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের জেরে ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে ইউরোপীয় ক্লাবগুলোর সরে দাঁড়ানোর যে আলোচনা চলছে, তা থেকেই মূল উত্তেজনার সূত্রপাত। তবে স্প্যানিশ দৈনিক ‘এএস’ জানিয়েছে, ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়ে উয়েফা ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ফিফার এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তিই হয়নি। তাই টুর্নামেন্টটি বয়কটের যে গুঞ্জন চলছে, তাকে এই মুহূর্তে পুরোপুরি সত্য বলা যাচ্ছে না। সংবাদমাধ্যমটি নিশ্চিত করেছে, ফিফাবিরোধী অবস্থানের ক্ষেত্রে উয়েফাকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে কয়েক দিন আগেই একমত হয়েছে ইউরোপিয়ান ক্লাব অ্যাসোসিয়েশন। প্রসঙ্গত, ইউরোপীয় ফুটবলের প্রভাবশালী
ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা- উয়েফার সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন এবং ইউরোপিয়ান ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের (ইসিএ) চেয়ারম্যান নাসের আল খেলাইফি গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। অস্ট্রিয়ার সালজবার্গ শহরে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ও উয়েফার মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
‘টকস্পোর্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপের সঙ্গে জাতীয় দলগুলোকে যুক্ত করার ব্যাপারে উয়েফার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের জেরে ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে ইউরোপীয় ক্লাবগুলোর সরে দাঁড়ানোর যে আলোচনা চলছে, তা থেকেই মূল উত্তেজনার সূত্রপাত।
তবে স্প্যানিশ দৈনিক ‘এএস’ জানিয়েছে, ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়ে উয়েফা ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ফিফার এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তিই হয়নি। তাই টুর্নামেন্টটি বয়কটের যে গুঞ্জন চলছে, তাকে এই মুহূর্তে পুরোপুরি সত্য বলা যাচ্ছে না।
সংবাদমাধ্যমটি নিশ্চিত করেছে, ফিফাবিরোধী অবস্থানের ক্ষেত্রে উয়েফাকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে কয়েক দিন আগেই একমত হয়েছে ইউরোপিয়ান ক্লাব অ্যাসোসিয়েশন। প্রসঙ্গত, ইউরোপীয় ফুটবলের প্রভাবশালী এই সংগঠনটি ৮৫০টি ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।
দৈনিকটি আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপের পাওনা অর্থ ফিফা এখনো পরিশোধ না করায় ক্লাবগুলোর মাঝে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভুক্তভোগী ক্লাবগুলো।
বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন টুর্নামেন্টের ২০ শতাংশ স্বত্ব ডোনাল্ড ট্রাম্প-সংশ্লিষ্ট একটি বিনিয়োগ তহবিলের কাছে বিক্রি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। এই সিদ্ধান্তের পর বিশ্ব ফুটবলে যে অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন প্রকাশ্য লড়াইয়ের রূপ নিয়েছে।
ইনফান্তিনোর এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে শুরু থেকেই শক্ত অবস্থান নেয় উয়েফার নেতৃত্বাধীন ইউরোপের দেশগুলো। পরে উয়েফার সঙ্গে যোগ দেয় উত্তর ও মধ্য আমেরিকা (কনকাকাফ) এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি)। এরপর সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হন ইনফান্তিনো।
২০২৭ সালের ১৮ মার্চ মরক্কোর রাবাতে ফিফার পরবর্তী সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। উয়েফার লক্ষ্য- এই বড় ভুলের মাশুল হিসেবে ইনফান্তিনোকে যেন পুনর্নির্বাচিত হওয়া থেকে আটকে দেওয়া যায়।
এমনকি ইনফান্তিনোর ভোটব্যাংকে ধস নামানোর কাজও ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ইউরোপের পাঁচটি সদস্য ফুটবল সংস্থা— রোমানিয়া, ফিনল্যান্ড, ওয়েলস, সার্বিয়া ও ইংল্যান্ড পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইনফান্তিনোকে ভোট দেবে না। জার্মানির মতো দেশগুলো আগেই তাদের এমন অবস্থান স্পষ্ট করেছিল, আর এখন নরওয়েও যে বর্তমান সভাপতির বিপক্ষে দাঁড়াচ্ছে, তা প্রায় নিশ্চিত।
জাতীয় দলগুলোর পর ইউরোপীয় ক্লাবগুলোর সমর্থন হারিয়ে ফেললে তা ইনফান্তিনোর জন্য হবে আরও এক বড় ধাক্কা। ফলে উয়েফা ও ইউরোপিয়ান ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষ কর্তাদের মধ্যকার আসন্ন বৈঠককে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
সূত্র : গোলডটকম
What's Your Reaction?